নিজস্ব সংবাদদাতা: দিল্লিতেই মেসির ভারত সফর শেষ হচ্ছে না। কথা ছিল কলকাতায় সফর শুরু হয়ে হায়দরাবাদ ও মুম্বই ঘুরে ভারতের রাজধানী মেসির ‘শেষ গন্তব্য’। কিন্তু না, এরপর আর্জেন্তিনীয় কিংবদন্তি যাবেন ভান্তারা। গুজরাটের জামনগরে মুকেশ আম্বানির পরিবারের নিজস্ব চিড়িয়াখানা রয়েছে। সেখানেই যাচ্ছেন মেসি।
জামনগরে অনন্ত আম্বানির স্বপ্নের প্রকল্প চলতি বছরে উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বন্য প্রাণী উদ্ধার, সংরক্ষণ ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হয় এই বিশেষ প্রকল্পে। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় প্রায় ৩০০০ একর বিস্তৃত এই চিড়িয়াখানায় ৪৩ প্রজাতির ২০০০ প্রাণী রয়েছে। এশিয়ার বিরল সিংহ, তুষারচিতা, একশৃঙ্গ গণ্ডার-সহ একাধিক বিরলতম প্রাণীর বাসস্থানের পাশাপাশি তাদের সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থাও রয়েছে জামনগরের এই চিড়িয়াখানায়।
এবারের ভারত সফরে মেসির শেষ গন্তব্য সেই ভান্তারা। তবে তার জন্য মেসির সঙ্গে ৫০ কোটি টাকার বিশেষ চুক্তি হচ্ছে আম্বানিদের। এই বিরাট চুক্তির বিনিময়েই দিল্লি সফর শেষে জামনগরের উদ্দেশে রওনা দেবেন।
ইতিমধ্যেই হায়দরাবাদ ও মুম্বই সফরে মাতিয়ে দিয়েছেন মেসি। কলকাতায় সেভাবে মেসি-দর্শন না হলেও দেশের অন্য দুই শহরে রীতিমতো সফল ‘গোট ট্যুর’। সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ ও রড্রিগো ডি পল। হায়দরাবাদে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে ফুটবল খেলেছেন। আর মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রবিবার যেন চাঁদের হাট ছিল। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এক ফ্রেমে দুই ‘গোট’- লিওনেল মেসি এবং শচীন তেণ্ডুলকর। ফুটবল ও ক্রিকেটের মেলবন্ধন দেখল ক্রীড়াদুনিয়া। দুই কিংবদন্তি পৃথক মেরুর হলেও মুম্বই তাঁদের এক ফ্রেমে মিলিয়ে দিয়েছিল।
