বিধ্বংসী বোলিংয়ের সঙ্গে অবিশ্বাস্য ক্যাচ শামির, বৈভব-ঈশানের ব্যাটে দলীপ ফাইনালে পূর্বাঞ্চল

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সহজ জয়ে দলীপ ফাইনালে পূর্বাঞ্চল। নেপথ্যে মহম্মদ শামি ও মুকেশ কুমারের বিধ্বংসী বোলিং। মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে ঈশান কিষানদের জয়ের কাজ সহজ করে দেন বাংলার দুই পেসার। পাশাপাশি অবিশ্বাস্য ক্যাচও ধরেন শামি। রান তাড়া করতে নেমে ঝড় তুলে দেয় বৈভব সূর্যবংশী। শেষবেলায় কিছুটা আতঙ্ক ধরেছিল ঠিকই। তবে অধিনায়ক ঈশান ঠান্ডা মাথায় দলকে জিতিয়ে দেন। শেষমেশ পূর্বাঞ্চল জিতল ৪ উইকেটে।

বেঙ্গালুরুতে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক ঈশান কিষান। তবে ইনিংসের মাঝেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান। যে কারণে নেতৃত্ব দিতে হয় বৈভব সূর্যবংশীকে। প্রথম ইনিংসে রজত পাতিদারের মধ্যাঞ্চল ২৬৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। মুকেশ কুমার ও অভিজিৎ সরকার ৩টি করে উইকেট পান। জবাবে বৈভব সূর্যবংশী ঝড় তুলেছিল। মাত্র ৮১ বলে ৯২ রান করে আউট হয়। ৪২ বলে হাফসেঞ্চুরি করে। দলীপে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে হাফসেঞ্চুরির নজির এখন তার নামে।

আরও পড়ুন:

কিন্তু বৈভব আউট হতেই আচমকা ব্যাটিং বিপর্যয় পূর্বাঞ্চলের। ২০০ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৬৬ রানে অলরাউট। অর্থাৎ দুই দলের রান সমান। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য পাত্তা পায়নি মধ্যাঞ্চল। শামি ও মুকেশ মিলে যেন আগুন ধরিয়ে দেন। মুকেশ তোলেন ৪ উইকেট। শামির সংগ্রহ ৩ উইকেট। এর মধ্যে চর্চা চলছে শামির ক্যাচ নিয়ে। তাঁর বলে হর্ষ দুবে সোজা ব্যাট চালিয়ে ছিলেন। একেবারে মাটি ঘেঁষে বল আসছিল। শামি বল করার পর ফলো থ্রুতে হাত নীচে নামিয়ে এনে বলটি তালুবন্দি করেন। যাঁরা শামির ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, এই ক্যাচ যেন তাঁদের জন্য উত্তর। শেষমেশ মধ্যাঞ্চলের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৫৮ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসেও বৈভবের ঝড় অব্যাহত ছিল। তাঁর ও অভিমন্যু ঈশ্বরণের জুটিতে ৬১ রান উঠে যায়। এর মধ্যে বৈভব করে ৪৩ বলে করে ৪০ রান। ছিল ৩টি চার ও দু’টো ছক্কা। তবে এবারও বৈভব আউট হয়ে যাওয়ার পর পূর্বাঞ্চলের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে। তবে অধিনায়ক ঈশান কিষান বিপদ বাঁধতে দেননি। ৪১ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঈশান। শেষমেশ ৪ উইকেটে জিতে ফাইনালে পূর্বাঞ্চল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *