বাড়িতে একরত্তি মেয়ে, বানভাসি অসমে ত্রাণ বিতরণ রণদীপের! ভাইরাল ভিডিও

বাড়িতে একরত্তি মেয়ে, বানভাসি অসমে ত্রাণ বিতরণ রণদীপের! ভাইরাল ভিডিও

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অসমের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। মৃতের সংখ্যাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বানভাসি অসমের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। দুর্যোগের সময়ে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন বলিউড সেলিব্রিটির একাংশ। সাম্প্রতিক মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, সলমন খান সরাসরি অসমের অসহায় মানুষগুলোর কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। অন্যদিকে সংকটজনক পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে অসম পৌঁছেছেন বলিউড অভিনেতা রণদীপ হুডা।

অসম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তরফে জানানো হয়েছে, ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২, বহু মানুষ গৃহহীন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে চুয়ান্নটি ত্রাণ শিবির পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় বারো হাজার ৯৯৪ জন। ছাব্বিশটি বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার ৩৮৪ জনকে সাহায্য করা হবে। শিবসাগরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

বন্যাদুর্গত মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। শনিবার রণদীপ শিবসাগরে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান। রেলস্টেশনে আশ্রয় নেওয়া বহু পরিবারের হাতে তিনি প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। গুরুদ্বার সাহিবে গিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে রণদীপ হুডার এই ‘মানবিক’ দিকটি। প্রশংসা ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভক্তরা। চার মাসের মেয়েকে রেখে বানভাসি অসমের দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর এই অনমনীয় মনোভাবকে কুর্নিশ জানিয়েছে ভক্তরা। 

সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা বলেন, “এটি শিবসাগর রেলস্টেশন। আশপাশের এলাকা থেকে বহু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা প্রতিদিন তাঁদের জন্য খাবার রান্না করে নিয়ে আসছি এবং গত সাত দিন ধরে এই কাজ করে চলেছি। মানবতার ঊর্ধ্বে আর কিছু নেই। আমি বহু বছর ‘গ্লোবাল শিখস’-এর সঙ্গে কাজ করছি। সকলের কাছে আবেদন, যেভাবে সম্ভব অসহায় মানুষগুলোর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। শুধু অসম নয়, পৃথিবীর যেখানেই মানুষ বিপদে পড়ুক আমাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। মানুষ হিসেবে এটাই আমাদের দায়িত্ব।”

আরও বলেন, “আমাদের দল খোঁজখবর নিয়ে বুঝেছে এই মুহূর্তে মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিস যেমন খাবার, ঘুমানোর জন্য গদি, ত্রিপল ইত্যাদি। সেই অনুযায়ী আমরা ত্রাণ কিট তৈরি করছি এবং যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের বিতরণ করছি। পাশাপাশি আমাদের স্বেচ্ছাসেবকেরা এমন মানুষদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন যাঁদের কাছে এখনও কোনও সাহায্য পৌঁছায়নি।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *