অ্যাক্রোপলিস মলের ঘটনার স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই শহরের এক পাঁচতারা হোটেলের ডিস্কোতে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, ওই তরুণীকে আটকে রেখে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। ১০০ ডায়াল করে ঘটনার কথা জানাতেই পদক্ষেপ করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তকে বেনিয়াপুকুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা নিউ আলিপুরের বাসিন্দা। শনিবার গভীর রাতে বাইপাসের ধারের বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে যান ২০ বছর বয়সি ওই তরুণী। তাঁর সঙ্গে তাঁর কয়েকজন বন্ধুবান্ধবও ছিলেন। ওই হোটেলের ডিস্কোতে গিয়েছিলেন তাঁরা। রাত ২টো নাগাদ সেখানে মূল অভিযুক্ত মহম্মদ রফি আজিম ওই তরুণীকে আটকে রেখে শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। তরুণীকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। তড়িঘড়ি ১০০ ডায়াল করে ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা তরুণী। এরপর প্রগতি ময়দান থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার সকালেই বেনিয়াপুকুর থেকে অভিযুক্ত মহম্মদ রফিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার সকালেই খিদিরপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বাড়ি থেকেই ২৪ বছরের অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অ্যাক্রোপলিস মলে তরুণীকে শ্লীলতাহানির পরে ফের শহরের একটি নামজাদা হোটেলে তরুণীকে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় ফের একবার মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
