বয়স বাড়তেই বাড়ছে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব, কেউ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন! নেপথ্যে লুকিয়ে কোন কারণ?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


একটা সময় পর্যন্ত বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন ছিল অকল্পনীয়। পারিবারিক মতপার্থক্যের জেরে দাম্পত্য জীবনে ঝড় উঠলেও সন্তানরা বারবার বাবা-মাকেই বেছে নিতেন। একে অপরের প্রতি প্রত্যাশা থাকত অটুট। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলছে সম্পর্কের ধরণ। বর্তমানে অনেকেই বিয়ের পর আলাদা থাকেন। বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ অনেকটা কমিয়ে দেন। কেউ আবার পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। নেপথ্যে রয়েছে বিস্তর জটিলতা।

বয়স বাড়তেই বাড়ছে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব, কেউ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন!

আরও পড়ুন:

একটা সময় ছিল যখন বড়রা ভুল বলছেন জেনেও সম্মানের খাতিরে তা মেনে নিত ছোটরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারণা বদলেছে। প্রত্যাশার পরিবর্তনের পাশাপাশি সোশাল মিডিয়া বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন রূপ দিচ্ছে। কারও কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সংঘাত, অবহেলা, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, নির্যাতন- এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছে যেখানে অভিভাবকদের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের পথে হাটছেন সন্তানরা। আগে এই পরিস্থিতিতে বাবা-মাকে কেবল ‘কঠোর’ বা ‘জটিল’ বলে বর্ণনা করতেন সন্তানরা, এখন তৈরি করছেন দূরত্ব। ‘জার্নাল অফ ম্যারেজ অ্যান্ড ফ্যামিলি’-তে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাতীয় পর্যায়ের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬ শতাংশ তাঁদের মায়ের সঙ্গে এবং ২৬ শতাংশ তাদের বাবার সঙ্গে বিচ্ছিন্নতার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। গবেষকরা আরও দেখেছেন যে, কিছু ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে সম্পর্ক পুনরায় গড়ে উঠেছে।

কিন্তু এর নেপথ্যে লুকিয়ে নির্দিষ্ট একটি কারণ নেই। আসলে এখন শান্তি চান সকলে। আর তার জন্য কখনও কখনও দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন হয়। আবার কখনও যোগাযোগ, দায়বদ্ধতা এবং আচরণের পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি জটিল সম্পর্কের উন্নতিও ঘটে। কখনও কখনও যারা সম্পর্ক থেকে সরে যান, পরবর্তীতে সম্পর্ক অনেক বেশি মজবুত হয়। আসলে প্রাপ্তবয়স্করা এখন নিজের মতো করে ‘পরিবার’-এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করছেন। কেবল রক্তের টান রয়েছে বলেই একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা আর করেন না কেউ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *