‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে এমনিতেই প্রদেশ কংগ্রেস এবং মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে বেশ খানিকটা কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। এবার দুই শিবিরের মধ্যে দূরত্ব আরও খানিকটা কমল। মুকুন্দপুরে আক্রান্ত হওয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের ‘বর্বরোচিত’ হামলার জবাবে সব গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যা আগামী দিনে কংগ্রেস এবং মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেকার জোটের রাস্তা আরও সুগম করল বলেই মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সন্ধেয় মমতা তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুকুন্দপুর এলাকা। কালীঘাটপন্থীদের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি কার্যালয় দখল করেছে বিজেপি। প্রতিবাদে মঙ্গলবার মুকুন্দপুরে তারা মিছিল করতে গেলে বিজেপি কর্মীরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ কয়েকজন মমতা তৃণমূলের কর্মী।

আরও পড়ুন:

ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের বিবৃতি, ‘এই বর্বরোচিত হামলায় তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক হুমায়ুন কবীর সহ একাধিক নেতা কর্মী গুরুতরভাবে আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পূর্ব যাদবপুর থানাকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় নিরাপত্তার কারণে থানার ভিতরে আশ্রয় নিয়েছেন এবং বিজেপি কর্মীরা থানা ঘেরাও করে তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’ শুভঙ্কর ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে শাস্তির দাবি করে রাজ্যের বিরোধী পরিসরকে একজোট করার বার্তা দিয়েছেন। তবে সুকৌশলে শর্তও চাপিয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন কোনও জোট হলে তার রাশ থাকবে কংগ্রেসের হাতেই। শুভঙ্করের কথায়, “আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। বাংলায় গণতন্ত্রকে বাঁচাতে এই ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সমস্ত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সেই ঐক্যের নেতৃত্ব দেবেন রাহুল গান্ধী।”

শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বুধবার তিনি নিজে কালীঘাট তৃণমূলের আহত কর্মীদের দেখতে যাবেন। যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রদেশ কংগ্রেস এবং কালীঘাটের মধ্যে যে দীর্ঘ রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, সেটা যে ধীরে ধীরে কমছে, তা শুভঙ্করের বয়ানেই স্পষ্ট।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *