ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার নবদ্বীপে, দুষ্কৃতী হামলায় জখম পাঁচ বিজেপি কর্মী

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার নবদ্বীপে, দুষ্কৃতী হামলায় জখম পাঁচ বিজেপি কর্মী

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সমাজমাধ্যমে একটি পুরনো পোস্টকে কেন্দ্র করে ঝামেলার জেরে কয়েকজন বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। এই হামলায় গুরুতর জখম হন পাঁচ বিজেপি কর্মী। নদিয়ার নবদ্বীপ শহরের পীরতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ছয়জনের বিরুদ্ধে নবদ্বীপ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই হামলার পিছনে তৃণমূল রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। 

গভীর রাতে হামলার পর জখমদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে অক্ষয় বিশ্বাস ও গোপাল কর্মকার নামের দুই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তড়িঘড়ি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আরও দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর এক আহতকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছয় নবদ্বীপ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন:

আহতদের দাবি, সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টকে ঘিরে প্রথমে বচসা শুরু হলেও, এর নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। তাঁদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে গভীর রাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হন তাঁরা।

বিজেপির নবদ্বীপ শহর উত্তর মণ্ডলের সহ-সভাপতি তন্ময় কুণ্ডু জানান, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি কর্মী অক্ষয় বিশ্বাস। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই অক্ষয় বেরিয়ে যান। পরে বাড়ি ফেরার পথে পীরতলার মোড়ে কয়েকজন যুবককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন তন্ময়বাবু। তিনি গাড়ি থেকে নামতেই কয়েকজন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এরপরই তিনি দেখতে পান অক্ষয় ও আরও এক যুবকের মাথা ফেটে রক্ত ঝরছে। তন্ময় কুণ্ডুর দাবি, আহতদের কাছ থেকেই গোবিন্দ ও বিট্টু সিং-সহ কয়েকজনের নাম জানতে পারেন তিনি। অভিযুক্তদের ছবি সংগ্রহ করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তন্ময়। তাঁর অভিযোগ, “যারা আগে তৃণমূল করত, পরে বিজেপিতে এসেছে বলে দাবি করছে, তারাই এলাকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে। তাঁরা বিজেপি বা তৃণমূল— কাউকেই রেহাই দিচ্ছে না।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *