প্রথম স্ত্রীর কথা লুকিয়ে বিয়ে, অশান্তি হতেই খুন! সোদপুর হত্যা কাণ্ডে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রথম স্ত্রীর কথা লুকিয়ে বিয়ে, অশান্তি হতেই খুন! সোদপুর হত্যা কাণ্ডে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


স্ত্রীকে নিয়মিত মারধর করত। তাঁকে খুন করে আত্মঘাতী হওয়ার হুমকিও দিত সুভাষ। সেই অভিযোগ নিয়ে ঘোলা থানার দ্বারস্থও হয়েছিলেন গীতা। কিন্তু কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ, এমনই দাবি পরিবারের। বুধবার সোদপুরে স্বামীর ছুরির হামলায় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় সেই আশঙ্কাই যেন সত্যি হল।

প্রায় ৭ বছর আগে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে গীতা ও সুভাষের। ৬ বছর আগে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন তাঁরা। পরে গীতা জানতে পারেন, সুভাষের প্রথম পক্ষের স্ত্রী রয়েছেন। সেই থেকেই দাম্পত্যে অশান্তির সূত্রপাত। অভিযোগ, নিয়মিত মারধরের শিকার হতেন তিনি। কিছুদিন আলাদা থাকার পর ফের একসঙ্গে থাকলেও পরিস্থিতির বদল হয়নি। শেষ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছর আগে বাপের বাড়িতে ফিরে যান গীতা। পরিবারের দাবি, আলাদা থাকার পর থেকেই তাঁকে খুনের হুমকি দিত সুভাষ। সেই অভিযোগ জানিয়ে ঘোলা থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো যেত।

আরও পড়ুন:

সোদপুরের নাটাগড় মহেন্দ্রনগরের বাসিন্দা গীতা কাশীপুরের একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ সাইকেলে সোদপুর স্টেশনের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন ফিউচার গেটের কাছে এসে সাইকেল স্ট্যান্ডে সাইকেল রেখে স্টেশনের দিকে হাঁটছিলেন। সেই সময় ছুরি হাতে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সুভাষ। রাস্তাতেই পরপর ছুরির কোপ মারতে থাকে। গীতার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় তাঁদের দিকেও ছুরি নিয়ে তেড়ে যায় অভিযুক্ত। এরপর নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় স্ত্রীর পাশেই লুটিয়ে পড়ে। দু’জনকে উদ্ধার করে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা গীতাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুভাষের চিকিৎসা চলছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *