নেশায় লাগাম! কেন্দ্রের মানদণ্ডে প্রথম তামাকমুক্ত গ্রাম কিঝামাদ, দেশকে পথ দেখাচ্ছে কেরল

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


প্রাণঘাতী তামাকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নজির গড়ল কেরল। রাজ্যের প্রথম তামাকমুক্ত গ্রাম হিসাবে স্বীকৃতি পেল এর্নাকুলাম জেলার কিঝামাদ। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত মানদণ্ডে ১৫০-র মধ্যে ১৪৪ নম্বর পেয়ে এই স্বীকৃতি পেয়েছে গ্রামটি। রবিবার কেরল সরকারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই ঘোষণা করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়েছিল। বাসিন্দারা তাতে সাড়া দেন। এরপরই এই স্বীকৃতি মিলেছে। তবে বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, ‘তামাকমুক্ত গ্রাম’-এর অর্থ এটা নয় যে, সেখানে কেউ ধূমপান করেন না কিংবা সেখানে তামাকজাত পণ্য একেবারেই পাওয়া যায় না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তামাকমুক্ত গ্রাম’ বলতে স্কুলের ১০০ গজের মধ্যে তামাকজাত পণ্যের বিক্রি নিষিদ্ধ করা, ১৮ বছরের কম বয়সিদের তামাকজাত পণ্যের বিক্রি রোখা, প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করা, ধূমপানে উৎসাহিত করে এমন বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা, দোকান ও হোটেল-সহ সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ‘ধূমপান দণ্ডনীয় অপরাধ’ লেখা সাইনবোর্ড স্থাপন করা এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত করে জরিমানা করা।

আরও পড়ুন:

কেরল সরকার জানিয়েছে, ‘কুডুম্বাশ্রী’ ইউনিটের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার পরিচালনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি, ‘হারিতা কর্মা সেনা’, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা সম্মিলিতভাবে গ্রামটিকে এই মর্যাদা অর্জনে সহায়তা করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রচারের অংশ হিসাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তামাক-বিরোধী বিজ্ঞপ্তি বিতরণ করা হয়, বাস স্টপেজে সচেতনতামূলক বার্তা প্রদর্শন করা হয়, স্কুলগুলিকে তামাকমুক্ত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। একইসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, কিঝামাদ পরপর দু’বার ‘টিবি মুক্ত পুরস্কার’ অর্জন করেছে, যা জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে তাদের ব্যাপক প্রচেষ্টাকেই তুলে ধরে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *