নেইমারের ছেলে অনুপ্রবেশকারী! মাঠে ঢুকতে বাধা মার্কিন নিরাপত্তারক্ষীদের, ভিডিও ভাইরাল

নেইমারের ছেলে অনুপ্রবেশকারী! মাঠে ঢুকতে বাধা মার্কিন নিরাপত্তারক্ষীদের, ভিডিও ভাইরাল

রাজ্য/STATE
Spread the love


অবশেষে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছেন নেইমার। চোট বিতর্ক, দলের অন্দরে গৃহযুদ্ধ-যাবতীয় সমস্যার অবসান হয়েছে তিনি মাঠে নামতেই। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নামলেও ফের বিতর্কের সঙ্গে জড়িয়ে গেল নেইমারের নাম। এবার সেলেকাও মহাতারকার ছেলেকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলে দাগিয়ে দিল মার্কিন নিরাপত্তারক্ষীরা!

প্রায় একমাস আগে শেষবার ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। স্যান্টোসের হয়ে সেই ম্যাচে কাফ মাসলে চোট পাওয়ার পর যে নেইমার জাতীয় দলে ডাক পাবেন সেটাই অনেকে ভাবেননি। কিন্তু জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পরে জানা যায়, নেইমারের চোট আসলে অনেকটাই গুরুতর। সেকারণে বিশ্বকাপের প্রথম দু’টো ম্যাচে খেলানো যায়নি নেইমারকে। ব্রাজিল ভক্তকুলের অধীর অপেক্ষা ছিল, নেইমারকে বিশ্বকাপের মঞ্চে কবে দেখা যাবে?

আরও পড়ুন:

সেই অপেক্ষার অবসান হল বৃহস্পতিবার ভোরে। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামলেন নেইমার। মিনিট কুড়ি খেলার সুযোগ পেলেন। আহামরি না হলেও চনমনে দেখালো সেলেকাওয়ের অন্য়তম অস্ত্রকে। ব্রাজিলের জার্সিতে শেষবার নেইমারকে দেখা গিয়েছিল ২০২৩ সালে। দীর্ঘদিন পরে দেশের জার্সিতে খেলার সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নেইমার। স্কটল্যান্ড ম্যাচ শেষ হওয়ার পর গ্যালারির সামনে গিয়ে দর্শকদের অভিবাদন গ্রহণ করছিলেন নেইমার। সেসময়ে গ্যালারিতে ছিল তাঁর ১৪ বছরের পুত্র দাভি লুক্কা।

মাঠের ধারে বাবাকে দেখেই ছুটে আসছিল দাভি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটকে দেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। অর্থাৎ নেইমারপুত্রকে অনুপ্রবেশকারী ভেবেছিলেন তাঁরা। পরে অবশ্য নিজেদের ভুল বুঝতে পারেন নিরাপত্তারক্ষীরা। মাঠে নেমে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরে দাভি। পিতাপুত্রের সেই আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। তারপর অবশ্য অন্য সন্তানদের নিয়ে মাঠে নেমে আসেন ব্রাজিল তারকার বান্ধবীও। সকলকেই জড়িয়ে ধরে আবেগে ভেসে যান নেইমার। এই ম্যাচ জিতেই নকআউট নিশ্চিত করে ফেলেছে ব্রাজিল। পরের রাউন্ড থেকে নেইমারের পারফরম্যান্স আরও ধারাল হয়ে উঠবে, আশায় ব্রাজিল ভক্তরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *