১ ফেব্রুয়ারি, আগামী রবিবার বাজেট পেশ হবে লোকসভায়। এই নিয়ে নবম বার বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। বলা বাহুল্য, তিনি একা বাজেট কাঠামো তৈরি করেন না। এই বিষয়ে তাঁকে সাহায্য করেন সাত সঙ্গী। কারা তাঁরা? কীভাবে তৈরি হয় বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের বাজেট?
আরও পড়ুন:
বাজেট কাঠামো গঠনে নির্মলাকে সাহায্য করেন ‘ফুল টিম’। তাঁরা হলেন অর্থনৈতিক বিষয়ক সচিব অনুরাধা ঠাকুর, রাজস্বসচিব অরবিন্দ শ্রীবাস্তব, ব্যয়সচিব ভামলুনমাং ভুয়ালনাম, অর্থনৈতিক পরিষেবা সচিব এম নাগরাজু, বিনিয়োগ এবং জনসম্পদ ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের সচিব অরুণীশ চাওলা।
আরও পড়ুন:
ব্যাঙ্ক, পেনশন ব্যবস্থা, বিমা সংস্থার আর্থিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নজর রাখেন অর্থনৈতিক পরিষেবা সচিব এম নাগারাজু।
‘সেভেন মাস্কেটিয়ার্সে’র মুখ্য চরিত্র অর্থনৈতিক বিষয়ক সচিব অনুরাধা ঠাকুর। দেশের প্রথম মহিলা অর্থ বিষয়ক সচিব তিনি। বাজেটের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ কারিগর। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ হবে, বিভাগীয় প্রধান হিসাবে তা স্থির করেন তিনি। কর কাঠামো (আয়কর, কর্পোরেট কর) বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেন রাজস্বসচিব আরবিন্দ শ্রীবাস্তব। সরকার কোন খাতে কত খরচ করবে, কত ভর্তুকি দেবে, কেন্দ্রের প্রকল্পগুলি কীভাবে কার্যকর হবে, তা দেখেন ব্যয়সচিব। ঘাটতি মোকাবিলা বিষয়েও পরামর্শ দেন ব্যয়সচিব ভামলুনমাং ভুয়ালনাম।
ব্যাঙ্ক, পেনশন ব্যবস্থা, বিমা সংস্থার আর্থিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নজর রাখেন অর্থনৈতিক পরিষেবা সচিব এম নাগারাজু। সামাজিক সুরক্ষা, ধার বৃদ্ধি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করে এই দপ্তর। বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বিনিয়োগ এবং জন সম্পদ ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের সচিব অরুণীশ চাওলার। তাঁর দপ্তরই কেন্দ্রের বেসরকারিকরণের রূপরেখা তৈরি করে।
কর কাঠামো (আয়কর, কর্পোরেট কর) বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেন রাজস্বসচিব আরবিন্দ শ্রীবাস্তব।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, দেশে এখন আর্থিক বৃদ্ধি ৭.৪। চলতি বছরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। এই আবহে লোকসভায় তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। কেমন হবে বাজেট? অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় গোটা দেশ।
সর্বশেষ খবর
