নামেই ‘বন্ধু’, পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না বাংলাদেশ, মুখোশ খুলল ইসলামাবাদের!

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একদিকে যেমন বইছে ভারত বিরোধীতার হাওয়া, তেমনই পাকিস্তানের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বে’র এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে ‘বন্ধুত্বে’র সেই মূল্যই দিল না ‘বিশ্বাসঘাতক’ পাকিস্তান। ইসলামাবাদের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না ঢাকা।  

জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম বোঝাই একটি বিমান আসার কথা ছিল। সব প্রস্তুতি থাকার পরও শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুুমতি না মেলায় নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে সেই বিমান পৌঁছতে পারেনি। তবে সূত্রের খবর, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রূপপুর পরমাণু কেন্দ্রে আসতে পারে ইউরেনিয়াম। মুখে না বললেও ইসলামাবাদের এহেন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ ঢাকা। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের বক্তব্য, মুখে বন্ধুত্বের কথা বললেও পিঠে ছুরি মারা বা রং বদলানো পাকিস্তানের বহু দিনের অভ্যাস। এবারও তারই প্রতিফলন ঘটল।

আরও পড়ুন:

সোমবার বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “পাকিস্তানের ছাড়পত্র না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে বিমানটি পৌঁছতে পারেনি। রুশ পারমাণবিক সংস্থা ‘রসাটম’ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ইউরেনিয়াম পাঠানোর নতুন সূচি নির্ধারণ করেছে। গোটাটাই রাশিয়ার দায়িত্ব।” সরকারের একটি সূত্রের খবর, এক বছর পর রিফুয়েলিংয়ের জন্য দু’টি বিমানে প্রথম পর্যায়ে মোট ৪৮টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর একটি ২৪ সেপ্টেম্বর এবং অন্যটি ১ অক্টোবর আসার কথা ছিল। প্রথম বিমানটি বাতিল হওয়ায় হওয়ায় এখন ১ অক্টোবর থেকে নয়া নির্ধারণ হয়েছে। রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম পরিবহনের নির্ধারিত রুটে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারতের আকাশসীমা পড়ে।

জানা গিয়েছে, রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহনের জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গত বুধবার রাতে ‘রসাটম’ জানায়, নির্ধারিত পথে বিমান যাওয়ার অনুমোদন মেলেনি। এদিকে সোমবার পাক হাই কমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৈঠকে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহনে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। এটি ছিল হাই কমিশনারের সঙ্গে আমার প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *