নন্দীগ্রামে প্রচারে মিলনপত্নীকে ‘না’ প্রশাসনের, ‘বিরোধীশূন্য করার প্রবণতা?’, প্রশ্ন কংগ্রেসের

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


উপনির্বাচনের মুখে পুরনো মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর হয়ে শুক্রবার থেকে প্রচারে নামত চেয়েছিলেন স্ত্রী অর্পিতা প্রধান। আর তাঁকে সামনে রেখেই দুয়ারে দুয়ারে ভোট চাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কংগ্রেসের। কিন্তু প্রচারে বাধা! শুক্রবার নন্দীগ্রাম বাজারে অর্পিতা প্রধানকে সভা করার অনুমতি দিল না প্রশাসন। শেষবেলায় অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এই সভা বাতিল করা হয়। প্রদেশ কংগ্রেস বিবৃতি জারি করে জানায়, ওই সভার জন্য আগাম আবেদন সত্ত্বেও অর্পিতা প্রধানকে সভা করতে দিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। তাতেই দলের প্রশ্ন, এটা কি বিরোধীশূন্য করার প্রবণতা?

বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও বাংলার পর্যবেক্ষক প্রকাশ যোশীর উপস্থিতি সাংবাদিক বৈঠকে অর্পিতা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘‘যে মামলায় শুভেন্দু অধিকারী খোলা আকাশের নিচে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেই একই মামলায় কী করে আমার স্বামী জেল খাটেন?” এর পরিপ্রেক্ষিতেই কি নন্দীগ্রামে তাঁর সভা বাতিল করা হল? সেই প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুন:

প্রায় দু’দশকের পুরনো মামলায় উপনির্বাচনের আগের দিন অর্থাৎ ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে। বৃহস্পতিবার যদিও কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি পেয়েছেন মিলন প্রধান। তাঁকে ভোটে লড়ার অনুমোদনের কথা জানিয়ে অন্তর্বর্তী জামিন দিতে আগ্রহী বিচারপতি। তবে শুক্রবার বিকেলের শুনানিতে তা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। অন্তর্বর্তী জামিন পেলে মিলন জেলের বাইরে থেকেই উপনির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। প্রচারেরও সময় পাবেন। তবে সেই অনিশ্চয়তায় আটকে না থেকে বৃহস্পতিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে মিলনের স্ত্রী অর্পিতা জানান, তিনি শুক্রবার থেকে নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করবেন। কিন্তু তার অনুমতি দিল না প্রশাসন। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম বাজারে সভা করতে পারবেন না।

প্রসঙ্গত, এদিন দুপুরে বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও বাংলার পর্যবেক্ষক প্রকাশ যোশীর উপস্থিতি সাংবাদিক বৈঠকে অর্পিতা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘‘যে মামলায় শুভেন্দু অধিকারী খোলা আকাশের নিচে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেই একই মামলায় কী করে আমার স্বামী জেল খাটেন?” এর পরিপ্রেক্ষিতেই কি নন্দীগ্রামে তাঁর সভা বাতিল করা হল? সেই প্রশ্ন উঠছে।এদিন সন্ধ্যায় খবরটি জানার পর নন্দীগ্রামে প্রদেশ কংগ্রেস দুই পর্যবেক্ষক শ্রী তাতা ভট্টাচার্য ও শ্রী রণজিৎ মুখোপাধ্যায় এই বিষয়ে প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে বলা হয়, ‘‘আমরা কারণ দর্শাতে বাধ্য নই।” এনিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের দাবি, ‘‘এ কি গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিরোধী শূন্য করার প্রবণতা? আমরা এই একপেশে আচরণের তীব্র ধিক্কার জানাই। নন্দীগ্রামের মানুষকে আরও বেশি করে কংগ্রেসের দিকে আকৃষ্ট করবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *