নজরে দোলাডাঙা-দুয়ারসিনি, ‘নো প্লাস্টিক জোন’ তৈরির লক্ষ্যে সাফাই শুরু বনদপ্তরের

নজরে দোলাডাঙা-দুয়ারসিনি, ‘নো প্লাস্টিক জোন’ তৈরির লক্ষ্যে সাফাই শুরু বনদপ্তরের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অমিত সিং দেও, মানবাজার: দক্ষিণ পুরুলিয়া পর্যটন সার্কিটকে ‘নো প্লাস্টিক জোন’ ঘোষণা করল বনদপ্তর। কংসাবতী দক্ষিণ বনবিভাগের তরফে জঙ্গল-পাহাড় ঘেরা বান্দোয়ান ১ বনাঞ্চলের দুয়ারসিনি ও মানবাজার ১ রেঞ্জের কংসাবতী জলাধারের পাড়ে দোলাডাঙাকে দূষণমুক্ত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের বনকর্মীরা ওই দুই স্থানে ফেলে থাকা প্লাস্টিক সংগ্রহ করেন।

বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই এলাকাকে প্লাস্টিকমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওদের সঙ্গে বৈঠক করবেন রেঞ্জ আধিকারিকরা। পাশাপশি আগত পর্যটকদের উদ্দেশে ওই সমস্ত স্থানে একাধিক বিধি সংক্রান্ত বিশেষ বোর্ড বসানো হবে। নির্দিষ্ট স্থানে প্লাস্টিক ফেলতে বসানো হবে ডাস্টবিন। আর সেখান থেকেই ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের জলের বোতল সংগ্রহ করে আগামী দিনে চারা তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে। কংসাবতী দক্ষিণ বন বিভাগের ডিএফও পূরবী মাহাতো বলেন, “যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলে দেওয়ার ফলে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ যেমন দৃষ্টিকটূ লাগে, তেমনই পরিবেশের ক্ষেত্রে এসব ক্ষতিকারক। তাই বনভূমিতে থাকা ওই দুই এলাকাকে আমরা প্লাস্টিকমুক্ত এলাকা বলে ঘোষণা করেছি।”

পুরুলিয়া দক্ষিণ পর্যটন সার্কিটকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে অভিযান বনদপ্তরের। নিজস্ব ছবি।

মানবাজার ১ ব্লকের কংসাবতী জলাধারের একদিকে বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর। অন্যদিকের পাড়ে রয়েছে পুরুলিয়ার দোলাডাঙা। নীল জলরাশির সঙ্গে জঙ্গলের মেলবন্ধনে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে ঝাড়খণ্ড ছুঁয়ে থাকা বান্দোয়ানের দলমা রেঞ্জের দুয়ারসিনি। যেখানে পাহাড়-জঙ্গলের মাঝে বয়ে চলেছে সাতগুড়ুম নদী। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতের সময় দক্ষিণ পুরুলিয়ার এই দুই স্থানে ভালো পরিমাণে পর্যটকেরা আসে। ফলে ওই এলাকা পরিষ্কার ও প্লাস্টিকমুক্ত করে আরও সুন্দর করে তুলতে এই পদক্ষেপ বলে বনদপ্তরের দাবি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *