দৌড় কম, গোল বেশি, বিশ্বকাপে নয়া মন্ত্র মেসির, আর্জেন্টিনা টিম হোটেলে আচমকা কেন মিউজিশিয়ান?

দৌড় কম, গোল বেশি, বিশ্বকাপে নয়া মন্ত্র মেসির, আর্জেন্টিনা টিম হোটেলে আচমকা কেন মিউজিশিয়ান?

রাজ্য/STATE
Spread the love


ভোর রাত থেকেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি। আমেরিকার অন্য শহরগুলিতে এই মুহূর্তে গরমে টেকা দায়। সেখানে কানসাস সিটি-র আবহাওয়া কিছুটা স্বস্তির।

যে স্টেডিয়ামে শনিবার সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন মেসিরা, সেখান থেকে আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পের দূরত্ব প্রায় ২৪ মাইলের মতো। আমরা যেরকম রাস্তার দূরত্ব বোঝাতে কিলোমিটারে অভ্যস্ত, আমেরিকাতে সেরকম মাইল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে শহরেই যান, এই ২৪ মাইল বা ৩৮ কিলোমিটারের দূরত্বটা কোনও দূরত্বই নয়। নিজেদের বেসক্যাম্প থেকে স্টেডিয়ামের প্রেস কনফারেন্স রুমে আসতে কোচ স্কালোনির সময় লাগার কথা খুব বেশি হলে, ২৫ থেকে ৩০ মিনিট। অন্যান্য দিন আগে স্টেডিয়ামের সাংবাদিক সম্মেলনে চলে আসেন। তারপর ফিরে যান বেসক্যাম্পে। সেখানেই কিছুক্ষণ প্র্যাকটিস দেখার সুযোগ দেন সংবাদমাধ্যমকে।

আরও পড়ুন:

এদিন উলটপুরান। প্র্যাকটিস সেই সন্ধ্যাবেলা। তারপর বেশি রাতে মূল স্টেডিয়ামে এসে সাংবাদিক সম্মেলন। আপাতত সুইজারল্যান্ড ম্যাচের আগে পুরো দলটাকে বিতর্ক থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা। প্রবল গরমের মধ্যে পরপর ম্যাচ খেলে মেসিরা যাতে ক্লান্ত না হয়ে পড়েন, তার জন্য টিম হোটেলে একজন মিউজিশিয়ানকেও ডাকা হয়েছিল। আর্জেন্টিনা ‘থিঙ্কট্যাঙ্ক’ চেষ্টা করে যাচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে যতটা সম্ভব পুরো দলকে মানসিক ভাবে একদম তরতাজা রাখার জন্য।

কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরের সবচেয় চমকপ্রদ তথ্য কি জানেন? নিশ্চয়ই আপনারাও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু যেহেতু লিওনেল মেসি, তাই হয়তো কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে পারেননি। কিন্তু মেসি যে প্রতিপক্ষর বক্সের উপর ছাড়া মাঠের খুব বেশি অংশে দৌড়োচ্ছেন না, ভালোভাবে দেখা গিয়েছে। এমনকী যখন পজিশন নিচ্ছেন, তখনও হেঁটে হেঁটে। তাহলে কি তিনি ক্লান্ত বোধ করছেন? আর্জেন্টিনা শিবির থেকে ম্যাচ খেলা সব ফুটবলারদের একটা ডেটা প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই আর্জেন্টিনা দলে সবচেয়ে কম দৌড়নো ফুটবলারের নাম, লিওনেল মেসি। অথচ, তাঁর নামের পাশেই সবচেয়ে বেশি গোল, ৮টি ! স্কালোনি জানেন, এবারেও বিশ্বকাপ নামক এভারেস্ট টপকাতে গেলে মেসি ছাড়া গতি নেই। তাই দলের যাবতীয় আক্রমণের পরিকল্পনা হচ্ছে মেসিকে কেন্দ্র করে। তাই কম দৌড়ে মেসি কত তাড়াতাড়ি বলের কাছাকাছি জায়গায় পৌঁছতে পারেন, সেই ভাবেই দলের পরিকল্পনা করছেন স্কালোনি।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও সুইজারল্যান্ডকে নিয়ে সতর্ক মেসিরা। দলে খুব একটা পরিবর্তন করার পক্ষে যেতে চাইছেন না কোচ। রোমেরো যখন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন তখন মিশর ম্যাচের দলটাকেই অপরিবর্তিত রাখতে চাইছেন স্কালোনি। চিন্তা শুধু মেসির সঙ্গে ফরোয়ার্ড লাইনে কে শুরু করবেন, লটারো না আলভারেজ?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *