দেবলীনার উপকার করেও জুটল ‘ঘরভাঙানি’ তকমা! বন্ধুত্বের সমীকরণ নিয়ে প্রতিবাদী পাঠ দিলেন সায়ক

দেবলীনার উপকার করেও জুটল ‘ঘরভাঙানি’ তকমা! বন্ধুত্বের সমীকরণ নিয়ে প্রতিবাদী পাঠ দিলেন সায়ক

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটনার রাতে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পর প্রথমে সায়ক চক্রবর্তীর সঙ্গেই যোগাযোগ করেছিলেন দেবলীনা নন্দী। বন্ধুকে বাঁচাতে তৎপরতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অভিনেতাও। সেই চেষ্টার জেরেই সেদিন বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন দেবলীনা নন্দী। খবর প্রকাশ্যে আসার পর অনেকেই তাই সঙ্গীতশিল্পী তথা ইনফ্লুয়েন্সারের খোঁজ নিতে সায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু দেবলীনা-সায়কের এহেন বন্ধুত্ব সমীকরণ নিয়েই বর্তমানে নেটপাড়ায় কাদা ছোড়াছুড়ির অন্ত নেই!

পরোপকার করেও সায়ক চক্রবর্তীকে ‘ঘরভাঙানি’ কটাক্ষও শুনতে হচ্ছে। নেটবাসিন্দাদের একাংশ আবার অভিযোগ তুলেছেন, সায়কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরেই নাকি দেবলীনা-প্রবাহর দাম্পত্যে চিঁড় ধরেছে! যদিও তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের রঙিন ঝলক দেবলীনার বিয়ের আসরেও দেখা গিয়েছিল। যেখানে অভিনেতা নিজে স্কুটার চালিয়ে অভিনব স্টাইলে বন্ধুকে বিয়ের মণ্ডপ পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিলেন। বিপদে-আপদে সবসময়ে একে-অপরের পাশে থেকেছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে এহেন লাগাতার কটুক্তি শোনার পর এবার নিজেই মাঠে নামলেন সায়ক চক্রবর্তী।

ফেসবুক লাইভে সায়কের মন্তব্য, “দেবলীনা আমার বন্ধু। রুচিসম্পন্ন লোকেরা সম্পর্কটাকে এভাবেই দেখবেন। তবে অনেকেই হয়তো মনে করেন, বন্ধু মানেই একটু ‘করে আসি’! আবার অনেকের হয়তো বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বন্ধুর সঙ্গে ‘ছোকছোকানি’র সম্পর্ক। তবে আমি সেরকম নই। মেয়ে দেখলেই আমার তেমন হয় না। কোনও মহিলা কোনওদিন বলতে পারবেন না যে আমি তাঁকে কোনওরকম অশালীন মেসেজ পাঠিয়েছি। আর দেবলীনার বিয়ে ভাঙার হলে আগেই ভাঙতাম। তাহলে ওর বিয়েতে গিয়ে নাচানাচি করতাম না।” এখানেই অবশ্য থামেননি অভিনেতা!

নেটপাড়ার একাংশ যখন ৭৮টি ঘুমের ওষুধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কেউ বা আবার পুরো বিষয়টাকেই ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ বলে মনে করছেন, সেসমস্ত নিন্দুকদের উদ্দেশেও কষিয়ে চড় মারলেন সায়ক চক্রবর্তী। বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর সংযোজন, “দেবলীনা স্বপ্রতিষ্ঠিত। নিজের চেষ্টায় নিজেকে এতদূর নিয়ে এসেছে। তাই দেবলীনার কোনও ভনিতা বা নাটক করার দরকার পড়বে না। কারণ ও কোনও রিয়ালিটি শোয়ের মঞ্চ থেকে উঠে আসেনি!”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *