দুর্নীতি দমনে দুরন্ত পুলিশি অ্যাকশন! প্রতারণায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা সাদ্দাম

দুর্নীতি দমনে দুরন্ত পুলিশি অ্যাকশন! প্রতারণায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা সাদ্দাম

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


দুর্নীতি দমনে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের অ্যাকশন শুরু। অন্নপূর্ণা যোজনায় কারচুপির ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারের ২৪ ঘন্টা না যেতেই পুরুলিয়া পুলিশের জালে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সাদ্দাম আনসারি। রবিবার রঘুনাথপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রঘুনাথপুর থানার পুলিশ। তাঁর বাড়ি রঘুনাথপুর ১ নম্বর ব্লকের গোপীনাথপুর গ্রামে। সোমবার সাদ্দামকে রঘুনাথপুর আদালতে পেশ করবে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে রেলের চাকরির ভুয়ো নিয়োগপত্র বানিয়ে সরকারি নথি ও সিলমোহর নকল করে প্রতারণা-সহ তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

সাদ্দামের লাইফস্টাইল ছিল একেবারে চোখে পড়ার মতো! বিশাল বাড়ি, সেইসঙ্গে একাধিক দামি গাড়ি।পায়ে থাকত ৩০ হাজার টাকার দামের জুতো, ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার টিশার্ট। ২০২৪ সালের পর পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের তিনি অন্যতম মাথা হয়ে উঠেছিলেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাঁর মতামত ছিল জরুরি। 

আরও পড়ুন:

প্রায় ৪০ বছরের সাদ্দাম আগে ট্রেন থেকে বান্ডিল বান্ডিল তামাক নামিয়ে তা বিক্রি করত। প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপ-সহ তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। আগে রঘুনাথপুর এলাকায় বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিল। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর চাকরির প্রতারণায় আগেও গ্রেপ্তার হন। প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। শাসকদলে যোগ দেওয়ার পর শিল্পশহর রঘুনাথপুর এলাকার বিভিন্ন শিল্প সংস্থা থেকে টাকা তুলে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের হাতে পৌঁছে দিতেন এই সাদ্দাম।

রঘুনাথপুর থানায় সাদ্দাম আনসারি। নিজস্ব ছবি

এভাবেই তৃণমূলে সাদ্দামের রাজনৈতিক উত্তরণ। একেবারে রকেট গতিতে উত্থান! তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের পুরুলিয়া জেলা সভাপতির পদ পেয়ে যান তিনি। আর তারপর তোলাবাজির চাপ আরও বাড়তে থাকে। শিল্পতালুক রঘুনাথপুরে কার্যত সাদ্দামই ছিলেন শেষ কথা। অভিযোগ, ২০২৫ সালের পর রঘুনাথপুর শিল্পতালুক এলাকা পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের তরফে অলিখিত দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। বিশাল বাড়ি, সেইসঙ্গে একাধিক দামি গাড়ি। সাদ্দামের লাইফস্টাইল ছিল একেবারে চোখে পড়ার মতো! পায়ে থাকত ৩০ হাজার টাকার দামের জুতো, ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার টিশার্ট। ২০২৪ সালের পর পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের
তিনি অন্যতম মাথা হয়ে উঠেছিলেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাঁর মতামত ছিল জরুরি। তোলাবাজির চাপে অতিষ্ঠ ছিল রঘুনাথপুর শিল্পতালুক। তাঁর গ্রেপ্তারে খুশির হাওয়া রঘুনাথপুর শিল্প শহরে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *