দুর্গাপুর ব্যারেজে বড় পরিকল্পনা, বিদেশের কায়দায় তৈরি হবে ওয়াটার স্পোর্টস হাব, ইকো পার্ক

দুর্গাপুর ব্যারেজে বড় পরিকল্পনা, বিদেশের কায়দায় তৈরি হবে ওয়াটার স্পোর্টস হাব, ইকো পার্ক

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


রাজ্যের পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বিশেষ করে বাঙালির শ্রেষ্ঠ দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে পশ্চিম বর্ধমানের পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত হতে চলেছে নতুন পালক। দুর্গাপুর ব্যারেজকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক এবং ওয়াটার স্পোর্টস হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পর্যটন দপ্তরের তরফে জেলাশাসককে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রকল্পের সম্ভাব্য দিকগুলি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।

গত কয়েকদিন আগেই সুন্দরবনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ।

আরও পড়ুন:

জানা গিয়েছে, গত ৩ আগস্ট পর্যটন দপ্তরের তরফে এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট জেলাশাসককে। যেখানে বলা হয়েছে, পর্যটনের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পটি কতটা বাস্তবসম্মত, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্টে সমস্ত তথ্য ঠিক থাকলে সরকারি নির্দেশিকা মেনে পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিআর) তৈরি করে দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা আসার পরই এই বিষয়ে প্রশাসনিকস্তরে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে খবর। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুর ব্যারাজের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নৌবিহার, কায়াকিং, প্যাডেল বোট, জেট স্কি-সহ বিভিন্ন জলক্রীড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি গড়ে উঠতে পারে পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজম পার্ক, যা পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে। 

এই প্রসঙ্গে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”আমরা ইকো ট্যুরিজম পার্কের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। আবেদনের সাড়া দিয়েছে। সেই নিয়ে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।” বিধায়কের কথায়, এহেন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান যেমন তৈরি হবে, তেমনই দুর্গাপুর-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজনও মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।

বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই সুন্দরবনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ। তিনি বলেন, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভকে মূল বিষয় করেই গড়ে উঠবে সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা। সুন্দরবনের মানুষের অর্থনৈতিক মানোন্নয়নে পর্যটন শিল্পকে বিশেষ তাই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সে কথা মাথায় রেখেই সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটনে ব্লু-কার্বন অর্থনীতির বিকাশে পর্যটন শিল্পের উপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ম্যানগ্রোভ দিবসে পর্যটন মন্ত্রী জানান, ‘ওয়ান স্টেট, ওয়ান ডেস্টিনেশন’ হিসেবে আগেই দার্জিলিংয়ের কথা বলা হয়েছিল। এখন গ্লোবাল ডেস্টিনেশনের দ্বিতীয় ঠিকানা হতে চলেছে সুন্দরবন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *