গুড়-বাতাসা খেয়ে স্ট্রং রুম পাহারা দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। আগামী ৪ মের জন্য পাচনও তৈরি। এমনই বার্তা দুর্গাপুরের তৃণমূল কর্মীদের। প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠিক রাখতে তাঁরা গুড়-বাতাসা খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। এমনকী পথ চলতি মানুষ আগ্রহ দেখালে তাঁদেরও দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূল কর্মীরা বলছেন, “অনুব্রত মণ্ডল গুড়-বাতাসার কথা আগেই বলেছেন। স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার সময় গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য গুড়-বাতাসা খাচ্ছি। চার তারিখের পর পাচন দেব।”
এই বিষয়ে আরও খবর
দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে গণনা কেন্দ্র করেছে কমিশন। সেখানে পাণ্ডুয়া, দুর্গাপুর পশ্চিম ও পূর্ব বিধানসভার ইভিএম রয়েছে। ভোটারদের রায় মেশিন বন্দি। ৪ তারিখ সেই মেশিন খুললেই প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। এই আবহে দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে তৃণমূল তৈরি করেছে ‘পাহারা কেন্দ্র’। বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলের গুড়, বাতাসা ও পাচন নিদানকে পাথেয়ও করেছে তাঁরা। ১০০ জন তৃণমূলকর্মী দিনরাত এক করে পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা।
তৃণমূল কর্মীদের দাবি, বিজেপি যে-কোনও সময় ইভিএমে কারচুপি করতে পারে। সেই জন্য পাহারা দিচ্ছেন। সঙ্গে রেখেছেন গুড়-বাতাসা। পাশাপাশি পাচনও তাঁরা তৈরি করে রাখছেন। যা দেওয়া হবে ৪ তারিখের পর। ২নং ব্লকের যুব সভাপতি অজয় দেবনাথ বলেন, “গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য অনুব্রত মণ্ডলের গুড়-বাতাসা খাচ্ছি। আর কর্মী-সমর্থকদের খাওয়াচ্ছি। চার তারিখের পর পাচন দেব।”
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচন হোক কিংবা পঞ্চায়েত অথবা লোকসভা প্রতিবারই অনুব্রত মণ্ডলের মুখে নতুন নতুন শব্দ শোনা যায়। কখনও গুড়বাতাসা, কখনও ঢাকের চরাম চরাম, আবার কখনও রাস্তায় দাঁড়িয়ে উন্নয়ন। ২০১৯ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় গুড় বাতাসার কথা বলেছিলেন তিনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
