দু’বার বল মেরে আউট ব্যাটার, বিরল ঘটনা রনজিতে, ‘গলি ক্রিকেটে’র সঙ্গে তুলনা অশ্বিনের

দু’বার বল মেরে আউট ব্যাটার, বিরল ঘটনা রনজিতে, ‘গলি ক্রিকেটে’র সঙ্গে তুলনা অশ্বিনের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যাচ নয়, বোল্ড নয়, স্টাম্প কিংবা এলবিডব্লিউ-ও নয়। তবুও ব্যাটার ফিরে গেলেন সাজঘরে। আউট হয়ে। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। এমনই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে রনজি ট্রফিতে। মেঘালয় বনাম মণিপুর ম্যাচে এমন ‘বিরল’ আউট নিয়ে জোর চর্চা চলছে। আর একে ‘গলি ক্রিকেটে’র সঙ্গে তুলনা করেছেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। 

কে এমন ‘উদ্ভট’ আউটের শিকার? উত্তর হল লাম্বাম অজয় ​​সিং। ২৬ বছরের মণিপুরের এই ক্রিকেটারকে দু’বার ব্যাট দিয়ে বল মারার ‘অপরাধে’ আউট দেওয়া হয়। অজয় ​​আরিয়ান বোরার একটি ডেলিভারি প্রথমে ডিফেন্স করেন তিনি। কিন্তু বলটি স্টাম্পের দিকে চলে যাচ্ছিল। আউট হওয়ার ভয়ে ঠিক সেই সময় ব্যাট দিয়ে বল রুখে দেন অজয়। এরপর অবশ্য কোনওরকম দ্বিধা ছাড়া মণিপুর ব্যাটারকে আউট দেন আম্পায়ার।

আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? মাঠে উপস্থিত দর্শকরা এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে জানাচ্ছেন, আম্পায়ার ধর্মেশ ভরদ্বাজের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদও জানাননি কেউই। দু’বার হিট দ্য বলের পর আউট হয়ে সাজঘরের পথে হাঁটা লাগান অজয় সিংও। এমন ঘটনায় অবাক হয়েছেন অশ্বিন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে তিনি মজা করে লেখেন, “গলি ক্রিকেটে আমাকেও একবার এভাবে আউট দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে ডিফেন্স করেছিলাম। তারপর আউট হওয়ার ভয়ে ফের ব্যাট দিয়ে বল মারি। সেই সময় সবাই তারস্বরে চেঁচিয়ে ওঠে আমি ‘আউট’ বলে।”

এমসিসি’র আইন ৩৪.১.১ অনুসারে, একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আম্পায়ার। নিয়ম হল, বল স্ট্যাম্পে লাগার আগে কোনও ব্যাটার যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাট দিয়ে বলের গতিপথ আটকান, তাহলে তাঁকে আউট দেওয়া হতে পারে। যদিও রনজিতে এভাবে আউট হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০০৫-০৬ মরশুমে জম্মু ও কাশ্মীরের অধিনায়ক ধ্রুব মহাজন এমনই আউটের শিকার হয়েছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ সালে তামিলনাড়ুর আনন্দ জর্জ, ১৯৮৬-৮৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের শাহিদ পারভেজ এবং ১৯৬৩-৬৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের কে কে বাভান্নাও দু’বার হিট দ্য বল আউট হয়েছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *