ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: এআইসিসির সামনে প্রদেশ নেতৃত্ব দাবি করেছে এখন লড়াই হলে বাংলার ১১০ আসনে তাদের জেতার সম্ভাবনা আছে। সে কথা শুনে রাজ্যের পর্যবেক্ষক গোলাম মীরের বক্তব্য, যা বলছেন, তার দায়িত্ব নিতে হবে। পরিস্থিতি যা-ই হোক, এআইসিসি আপনাদের পাশে থাকবে আগের থেকে ১০ গুণ বেশি সমর্থন নিয়ে। কিন্তু আপনারা যা বলছেন, তা-র কিছুটা হলেও করে দেখাতে হবে।
সূত্রের দাবি, মীর জানিয়েছেন, দিল্লি যেভাবে ময়দানে নামতে চাইছে তাতে বাংলায় কংগ্রেস এবার সরকার গঠনে নির্ধারকের ভূমিকা নিতে পারে। তার জন্য প্রদেশ নেতৃত্ব ও কর্মীদের ১০০ শতাংশ দিতে হবে। শনিবার চারটি কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষ করে মীর ‘ভোট চুরি’ স্লোগানকে সামনে রেখে এ রাজ্যে মাসব্যাপী বিজেপি-বিরোধী গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু করে দিলেন। প্রার্থী নির্বাচনে জেলাভিত্তিক শুধু নয়, এবার বিধানসভাভিত্তিক পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করা হবে। যুব সংগঠনকেও নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে ময়দানে নামানো হবে।
রাহুল গান্ধীর এ রাজ্যে আসার সম্ভাবনা কালীপুজোর পর। একটা অংশের দাবি, বিহার নির্বাচন পুরোপুরি মিটিয়েই বাংলায় পূর্ণ নজর দেবেন রাহুল। তার জন্য রাজ্যে আগে দলের ভিত মজবুত করতে হবে। রাহুল কলকাতায় বড় করে একটি কর্মী-সমাবেশ করতে পারেন, সঙ্গে একটি জনসভাও। সব কিছুরই প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।
