দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের আবেদনের কী হাল? তাঁদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? স্পিকার কী ভাবছেন? এ ছাড়া অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদদের কেন পিছনের সারিতে বসতে দেওয়া হচ্ছে? এই দু’টি ইস্যু নিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সাংসদরা।
বিধায়ক থেকে সাংসদরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। মূলত অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে বিদ্রোহী শিবির তৈরি করেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। বিধায়করা অন্য কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত না হলেও, ২০ জন সাংসদের দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআইয়ে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা বিজেপি সরকারকে সমর্থন করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, এই সাক্ষাতের পর স্পিকার তৃণমূল সাংসদের পিছনে সারিতে বসার বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছে। চলতি অধিবেশন শেষের মুখে। পরের অধিবেশন শুরু হলে তৃণমূল সাংসদদের আসন কেন পিছিয়ে দেওয়া হল সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। তবে দলত্যাগী সাংসদদের সদস্য পদ খারিজ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি বলেই খবর।
উল্লেখ্য, বাংলার ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর শুরু হয় ‘খেলা ভাঙার খেলা’। বিধায়ক থেকে সাংসদরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। মূলত অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে বিদ্রোহী শিবির তৈরি করেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। বিধায়করা অন্য কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত না হলেও, ২০ জন সাংসদের দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআইয়ে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা বিজেপি সরকারকে সমর্থন করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করেছেন। সেই দলে রয়েছেন একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক ঘনিষ্ঠরা।
তাঁরা যেহেতু অন্য দলে যোগ দিয়েছেন তাও আবার তৃণমূলের প্রতীকে জিতে তাই তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সদস্য পদ খারিজের আবেদন জানানো হয়েছে। স্পিকারকে চিঠিও দিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এই দাবি তুলে এ দিন ওম বিড়ালার সঙ্গে দেখা করলেন অভিষেকের নেতৃত্বাধীন দল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
