তিশা-ফারুকীর ১৬ বছরের দাম্পত্যে ভাঙন! মাস দেড়েক ‘আলাদা’, ডিভোর্সের পথে দম্পতি?

রাজ্য/STATE
Spread the love


দীর্ঘ দু’দশকের সম্পর্ক। ষোলো বছরের দাম্পত্য। সবটাই কি ভাঙনের মুখে? মাসখানেক ধরেই মোস্তাফা সরওয়ার ফারুকী এবং নুসরত তিশা ইমরোজের বিচ্ছেদ নিয়ে বাংলাদেশের বিনোদুনিয়ায় ফিসফাস। গুঞ্জন, পরিচালক-অভিনেত্রীর দেড় দশকের দাম্পত্য নাকি ভাঙনের মুখে! যদিও তারকাদম্পতির কেউই এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে মুখ খোলেননি, তবে পদ্মাপাড়ের সেলেবপাড়ার অন্দরমহল সূত্রে খবর, বিগত দেড় মাস ধরে একছাদের তলায় থাকছেন না ফারুকী এবং তিশা।

সেই বিষয়টিকে ঘিরেই নাকি মাসখানেক ধরে তারকাদম্পতির মন কষাকষি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গত দেড় মাস ধরে মেয়েকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে থাকছেন তিশা।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পরিচালক মোস্তাফা সরওয়ার ফারুকী এবং অভিনেত্রী নুসরত তিশা ইমরোজের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে। এহেন বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মাঝেই বৃহস্পতিবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছিলেন ফারুকী। যদিও সেখানে কাজের খবর ব্যতীত ব্যক্তিগতজীবনের টানাপোড়েন সম্পর্কিত কোনও তথ্য নেই, তবে ঘনিষ্ঠমবল বলছে, ‘যা রটে, তার কিছুটা হলেও তো বটে!’ কিন্তু আচমকাই কেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সেলেব দম্পতির সুখের সংসারে চিড় ধরল?

তিশা-ফারুকীর দাম্পত্য ভাঙনের মুখে!

শোনা যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় কেনা এক বাড়ি বিক্রি নিয়ে পরিচালক-অভিনেত্রীর মতবিরোধের সূত্রপাত। মোস্তাফা সরওয়ার ফারুকী বাড়িটি বিক্রি করে দিতে চাইলেও তাতে মত নেই তিশা ইমরোজের। আর সেই বিষয়টিকে ঘিরেই নাকি মাসখানেক ধরে তারকাদম্পতির মন কষাকষি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গত দেড় মাস ধরে মেয়েকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে থাকছেন তিশা। তবে ডিভোর্স গুঞ্জনের মাঝেও কিন্তু কাজ নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে এক প্রযোজনা সংস্থা খুলেছেন। নাটক নির্দেশনার পাশাপাশি তার প্রযোজিত ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারেড’ও মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি।

২০ বছর আগে কর্মসূত্রেই তিশার সঙ্গে ফারুকীর আলাপ। ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিয়ে করেন পরিচালক-অভিনেত্রী। তাঁদের এক কন্যাসন্তানও রয়েছে। সেই সম্পর্কই এখন বিচ্ছেদের পথে! এহেন গুঞ্জন সত্যি হোক, চাইছেন না অনুরাগীরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *