তিন দশকের আন্দোলনে জের, গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে এবার ভোটকেন্দ্র, খুশিতে ভোট বাসিন্দাদের

তিন দশকের আন্দোলনে জের, গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে এবার ভোটকেন্দ্র, খুশিতে ভোট বাসিন্দাদের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


প্রতি বার ভোটে প্রায় ৬ কিমি দূরে ভোট দিতে যেতে হত। প্রবল গরমে এলাকার মানুষজন অত দূর গিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়াতেন। পরে সেই ৬ কিমি পথ পাড়ি দিয়েই ফিরতে হত এলাকায়। প্রতি বারই গ্রামের মানুষের দাবি থাকত, এলাকাতেই ভোটকেন্দ্র হোক। গ্রামের মানুষজন এলাকাতেই ভোটের উৎসবে সামিল হবেন। কিন্তু সেই দাবি কোনওবারই পূরণ হত না। এই নিয়ে আন্দোলনও করেছিলেন মানুষজন। কিন্তু আখেরে কোনও লাভ হয়নি। শেষপর্যন্ত তিন দশকের সেই দাবিপূরণ হল। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা বিধানসভার সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিনগর গ্রামেই হল এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। নিজেদের এলাকায় ভোট দিয়ে খুশি বাসিন্দারা।

স্বাধীনতার পর থেকে হরিনগর গ্রামের মানুষ প্রায় ৬ কিলোমিটার দূর খরের মাঠ এলাকায় ভোট দিতে যেতেন। অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা অনেকেই ভোট দিতেন না অত দূর গিয়ে। তেমন কোনও যানবাহনও থাকে না ভোটের দিন যাওয়ার জন্য। অনেকেই পায়ে হেঁটে সেই ভোটকেন্দ্রে যেতেন। কেউ আবার সাইকেল-বাইকে যেতেন। এলাকায় ভোটকেন্দ্র করার দাবিতে রাস্তা অবরোধ বিক্ষোভ-সহ একাধিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করে আসছিলেন হরিনগর গ্রামের বাসিন্দারা। শেষপর্যন্ত সেই দাবিপূরণ হল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গ্রামেই ভোটকেন্দ্র করা হল।

গ্রামের প্রাথমিক স্কুলেই এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই গ্রামে ৭০০ জোন ভোটার। হাসিমুখে এবার হরিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন তাঁরা। খুশি এলাকার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা-সহ গ্রামের বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের বক্তব্য, “রাস্তা ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে ভোট দিতে যেতে হত আগে৷ অনেকেই অসুস্থ থাকায় তারা ভোট দিতে যেতে পারত না। এবার বাড়ির পাশে ভোট দিচ্ছি। আমাদের খুব ভালো লাগছে।”

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *