আসানসোল শহরকে ডেঙ্গি মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে শুরু হল বিশেষ অভিযান। আসানসোল হাসপাতাল মোড় থেকে ‘স্বচ্ছতা সংকল্প অভিযান’ মিছিলে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার পুরকর্মী, আশাকর্মী এবং সাফাইকর্মীরা। মিছিলে থাকা বেশ কিছু ট্রাকে ডাস্টবিন বসিয়ে শহরবাসীকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বার্তা দেওয়া হয়। বর্জ্য দূরীকরণ ও ডেঙ্গি সচেতনতার এই অভিযানে সামনের সারিতে হেঁটে নেতৃত্ব দেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং আসানসোল পৌরনিগমের কমিশনার দিলীপ মিশ্রা।
কোথাও যত্রতত্র ময়লা বা প্লাস্টিক ফেলা হচ্ছে কি না, কিংবা প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে কি না—তার ওপর কড়া নজর রাখবে এই ওয়াচ কার। ১০টি বোরোতে ১০ টি ওয়াচ কার আনা হবে।
আরও পড়ুন:
শহরে নজরদারি চালাতে এবং যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে এদিনের কর্মসূচি থেকে ‘আসানসোল সিটি ওয়াচ কার’ নামে দুটি বিশেষ গাড়ির শুভ উদ্বোধন করেন অগ্নিমিত্রা। সিসিটিভি ক্যামেরা ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই গাড়ি দুটি ব্যবহার করে ডেঙ্গি প্রতিরোধে শহরের আনাচে কানেচ নজরদারি চালাবেন পুরসভার কর্মীরা। কোথাও যত্রতত্র ময়লা বা প্লাস্টিক ফেলা হচ্ছে কি না, কিংবা প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে কি না—তার ওপর কড়া নজর রাখবে এই ওয়াচ কার। ১০টি বোরোতে ১০ টি ওয়াচ কার আনা হবে। প্রযুক্তি ও কঠোর নজরদারির মেলবন্ধনে শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, “গত বছরের তুলনায় আসানসোলে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব ১৮ শতাংশ কমলেও স্বস্তির কোনও জায়গা নেই।” বর্তমান রাজ্য সরকার ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে এবং শহরের স্বচ্ছতার বিষয়ে কোনো প্রকার সমঝোতা করা হবে না। ডেঙ্গি প্রতিরোধে পুরসভার সাফাই কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সমপরিমাণ দায়িত্বশীল হতে হবে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। জল জমতে না দেওয়া থেকে শুরু করে আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা—প্রতিটি বিষয়ে নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
