ঠাঁই হয়নি বেডে, ৩ দিন ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেঝেতে কাতরে মৃত্যু যুবকের! বাঁকুড়ায় তোলপাড়

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


বমি ও পেট খারাপ নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি না নিয়েই তাঁকে দিনের পর দিন অবজারভেশনে রাখা হয়েছিল। বেড জোটেনি মেঝেতে শুইয়ে চলছিল চিকিৎসা। দেওয়া হচ্ছিল স্যালাইন ও ওষুধ। কিন্তু কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত রবিবার রাতে মৃত্যু হয় বছর ছত্রিশের যুবকের। আর তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সিমলাপাল ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

“ভর্তি নেওয়া হল না কেন? রোগীকে এভাবে ফেলে রাখা হল কেন? প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্ভব না হলে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হল না কেন?” শাহ আলমের মৃত্যুর পর এই প্রশ্নগুলিই তুলছেন তাঁর বাবা রুকুব উদ্দিন মল্লিক।

আরও পড়ুন:

মৃতের নাম শাহ আলম মল্লিক (৩৬)। বাড়ি মাচাতোড়া এলাকার তেঁতুলিয়া গ্রামে। পরিবারের দাবি, দু’দিন আগে বমি ও পেট খারাপের সমস্যা নিয়ে শাহ আলমকে সিমলাপাল ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ, তাঁকে ভর্তি না নিয়ে মেঝেতে শুইয়েই চলছিল চিকিৎসা। স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। “ভর্তি নেওয়া হল না কেন? রোগীকে এভাবে ফেলে রাখা হল কেন? প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্ভব না হলে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হল না কেন?” শাহ আলমের মৃত্যুর পর এই প্রশ্নগুলিই তুলছেন তাঁর বাবা রুকুব উদ্দিন মল্লিক। অভিযোগ, রবিবার রাতভর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিজনেরা। 

যুবকের মৃত্যুর পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। কেন তাঁকে সরকারিভাবে ভর্তি করা হয়নি? কী কী পরীক্ষা করা হয়েছিল? তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কেন অন্যত্র পাঠানো হল না?—এই প্রশ্নগুলির কোনও স্পষ্ট উত্তর এখনও স্বাস্থ্য দফতরের তরফে মেলেনি। এ বিষয়ে বাঁকুড়ার জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সরেনকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।” ঘটনার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে উত্তেজনা থাকায় পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন তদন্ত ও স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্যের দিকেই তাকিয়ে মৃতের পরিবার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *