জন সূরজ পার্টির সদস্য তথা বিধায়ক প্রশান্ত কিশোরের মিডিয়া ম্যানেজারের রহস্যমৃত্যু। সোমবার বিকেলে ট্রেন থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত ওই যুবকের নাম দেবপালিক গুপ্তা। ৩১ বছরের ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিহার রাজনীতিতে। এই ঘটনার নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র দেখছে পিকে-র দল।
জানা গিয়েছে, সোমবার জন শতাব্দী এক্সপ্রেস ধরে রাঁচি থেকে পাটনা আসছিলেন দেবপালিক। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আরও দুই বন্ধু। দুপুর আড়াইতে নাগাদ পাটনা থেকে ট্রেন ছাড়ার মিনিট দশেক পর খাবার আনতে প্যান্ট্রি কারের দিকে রওনা দেন তিনি। এরপর ২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। পরে রাঁচির একেবারে শেষ প্রান্তে ঝাড়ওয়াদির কাছে রেললাইনের পাশ থেকে দেবপালিকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। হতে পারে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলেন দেবপালিক। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
রাঁচির একেবারে শেষ প্রান্তে ঝাড়ওয়াদির কাছে রেললাইনের পাশ থেকে দেবপালিকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
এদিকে দেবপালিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর সোশাল মিডিয়ায় জন সূরজ পার্টির তরফে লেখা হয়েছে, ‘আমরা জানি না কীভাবে, কোন পরিস্থিতিতে দেবপালিকের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এর নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক বা অন্য কোনও ষড়যন্ত্র ছিল কিনা আনুষ্ঠানিকভাবে তা দাবি করতে পারি না। দেবপালিক কোনও রাজনৈতিক বা অন্য কোনও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ছিলেন কিনা, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া আবশ্যক।’
উল্লেখ্য, প্রশান্ত কিশোর তাঁর জনসুরজ পার্টি শুরু করার পর, গত ৪ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে কাজ করছিলেন দেবপালিক। বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোরের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। উপনির্বাচনে প্রশান্ত কিশোরের জয়ে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। পিকের ঘনিষ্ঠ এই নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
