আওয়ামি লিগের কণ্ঠরোধ, বিপন্ন সংবিধান! তারেকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘে চিঠি হাসিনার

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


দু’বছরের বেশি সময় ধরে ভারতই তাঁর ঠিকানা। প্রবল বিক্ষোভের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হলেও ফের বাংলাদেশেই ফিরতে চান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু নিরাপত্তা ভাবাচ্ছে তাঁকে বারবার। এই অবস্থায় রাষ্ট্রসংঘের দ্বারস্থ হলেন মুজিব-কন্যা।

গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের মানুষের সমর্থন পেয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন খালেদা-পুত্র তারেক রহমান। এই অবস্থায় আওয়ামি লিগের কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগপ্রকাশ করে হাসিনা লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘেরর বিশেষ তদন্তকারীদের কাছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামি লিগের কার্যক্রমের উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, বর্তমান তারেক রহমান সরকার শুধু সেই নিষেধাজ্ঞা বহালই রাখেনি, বরং তাকে সরকারি সিলমোহর দিয়েছে।

আরও পড়ুন:

হাসিনার দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ তদন্তকারীদের জরুরি পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও সার্বিক নির্বাচনের দাবিতে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাসিনা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল না বলেও দাবি করেছেন তিনি। হাসিনার বক্তব্য, আওয়ামি লিগের উপর নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পথে দলের সমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা বাধা সৃষ্টি করছে বলেও রাষ্ট্রসংঘকে জানিয়েছেন তিনি।

হাসিনা জানিয়েছেন, “আমি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে যাব। আমি ভয় পাই না। আমি জানি, ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারে, গ্রেপ্তার করতে পারে, নির্যাতন করতে পার। কিন্তু দেশে ফিরে যাওয়া আমার দায়িত্ব।” উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ঘিরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে চোরা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর একাধিকবার পরিকল্পনা করেও এখনও পর্যন্ত ভারত সফরে আসেননি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *