আগামী মাসে ৮০ বছরে পা দেবেন তিনি। তার ঠিক আগে মঙ্গলবার ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিক্যাল সেন্টারে নিজের শারীরিক পরীক্ষা করালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তারপরই জানিয়ে দিলেন, তাঁর শরীরে কোনও সমস্যা নেই। বরং ‘সবকিছুই নিখুঁত’ অবস্থায় রয়েছে। উল্লেখ্য, গত এক বছর ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে চর্চা চলছে। অনেকেরই মতে, ট্রাম্পের শরীরে নানা সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এদিন পরীক্ষার পরে ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে ট্রাম্প তাঁর শারীরিক পরীক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
অতীতে ট্রাম্প প্রায়শই নিজেকে জো বাইডেনের চেয়ে অধিক কর্মচঞ্চল ও শারীরিকভাবে বেশি সক্ষম হিসেবে তুলে ধরেন। ৮২ বছর বয়সে নিজেকে প্রেসিডেন্টের লড়াই থেকে সরিয়ে নেন অশীতিপর বাইডেন। কিন্তু এবার ট্রাম্প নিজেই পা দিতে চলেছেন আশির ঘরে। তার ঠিক আগেই তাঁর অসুস্থতা নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় জল্পনাকে সরিয়ে দিলেন তিনি। তার আগে গত বছরও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তাঁর এমআরআই স্ক্যান করার পর নাকি চিকিৎসক বলেছেন, এত ভালো রিপোর্ট তিনি এর আগে কখনও পাননি!
আরও পড়ুন:
তবু বছরের গোড়াতে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। যাতে দেখা যায়, ট্রাম্পের হাতের একটা বড় অংশ ফ্যাটফ্যাটে সাদা। একাংশ দাবি করেন, ট্রাম্প অসুস্থ। রোগের কারণে তাঁর হাতে কালশিটে পড়ে গিয়েছে। তা লুকাতেই চড়া মেকআপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “এই নিয়ে পঁচিশবার আমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ। আমাকে নিয়মিত অ্যাসপিরিন খেতে হয়। এই ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতে হাতে কালশিটে পড়ে যায়। অ্যাসপিরিন রক্ত পাতলা রাখতে ব্যবহিৃত হয়। আমি চাই না যে আমার হৃদপিণ্ড দিয়ে ঘন রক্ত প্রবাহিত হোক। হৃদপিণ্ডের কোনও ক্ষতি চাই না আমি।”
সম্প্রতি তাঁর গলায় ছোপ ছোপ ফুসকুড়ির ছবি ঘিরেও অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। হোয়াইট হাউস অবশ্য জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের ওই ত্বকের সমস্যার জন্য প্রয়োজনীয় ক্রিম লাগানো হচ্ছে। সেটাও খুবই সাধারণ একটা ক্রিম। এদিন ট্রাম্প অবশ্য তাঁর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেননি। কিন্তু পরিষ্কার করে দিয়েছেন, তিনি একদম সুস্থই রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
