২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আগামী শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা পাঠিয়েছে পর্ষদ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই স্কুলগুলিকে সমস্ত বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান কপি এবং নন-পিডিএফ সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল আইডিতে পর্ষদের কাছে পাঠাতে হবে। সেই ইমেলও ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পর্ষদের তরফে। আর তা হল – [email protected]।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, “তৃণমূল সরকারের মতো বর্তমান সরকার ও টেস্টের প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় আছে। তাছাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকারা কী সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ! যদি না হয়, তাহলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন।”
আরও পড়ুন:
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের নিতে হবে। কোনও অবস্থাতেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে বা কোনও বহিরাগত সংস্থার সাহায্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্রে যাতে কোনও ধরনের বিতর্কিত বিষয় না থাকে, যা নিয়ে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়, সে বিষয়েও কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে পর্ষদের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে। এক্ষেত্রে নিয়মের কোনও লঙ্ঘন হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই সম্পূর্ণ দায়ী করা হবে বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
এদিকে পর্ষদের এই নির্দেশিকা সামনে আসতেই স্কুলস্তরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, “তৃণমূল সরকারের মতো বর্তমান সরকার ও টেস্টের প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় আছে। তাছাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকারা কী সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ! যদি না হয়, তাহলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন।” তবে এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
