ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৭১ (রাদারফোর্ড ৫৬, হোপ ৫২)
ভারত: ১৪.৪ ওভারে ১৭২-২ (শ্রেয়স ১০২, ঈশান ৩৭)
ভারত ৮ উইকেটে জয়ী
টি-২০ অধিনায়ক হিসাবে তাঁর শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ, ভারতীয় দলকে কেমন যেন খাপছাড়া লাগছিল। ব্যাটার হিসাবেও তাঁর ফর্ম নিয়ে শুরুর দিকে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু শ্রেয়স আইয়ার জিম্বাবোয়ে সিরিজ থেকেই ‘কামব্যাক’ শুরু করেন। যে কামব্যাক সম্ভবত সম্পন্ন হল মঙ্গলবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে। কার্যত একার হাতে ক্যারিবিয়ানদের দুরমুশ করে দিলেন ভারত অধিনায়ক। সেই সঙ্গে তাঁর অধিনায়কত্ব এবং ফর্ম নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছিলেন তাঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের সরপঞ্চ।
আরও পড়ুন:
শ্রেয়সের ৪৩ বলে ১০২ রানের অনবদ্য ইনিংসে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩২ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে জিতল টিম ইন্ডিয়া। সেই সঙ্গে শ্রেয়স নিজেও একাধিক মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন। একদিকে তিনি যেমন তৃতীয় ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে সেঞ্চুরি হাঁকালেন, তেমনই টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসাবে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় নাম লেখালেন ৪ নম্বরে। এর আগে ভারত অধিনায়কদের মধ্যে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন শুধু রোহিত শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদব।
লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে শ্রেয়সের ওই অনবদ্য সেঞ্চুরির সুবাদে কার্যত অনায়াসেই টিম ইন্ডিয়া ১৭২ রানের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায়। ক্যারিবিয়ানদের দেওয়া ১৭১ রানের টার্গেট নিয়ে শুরুটা ভালো না হলেও অধিনায়ক শ্রেয়স এবং ঈশান কিষানের জুটি ভারতকে ৩২ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ঈশান করেন ৩৭ রান। দু’জন জুটিতে তোলেন ১৩৭ রান। যা রান তাড়া করে ভারতীয়দের করা তৃতীয় সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে একানার ব্যাটিং সহায়ক পিচে ক্যারিবিয়ানরা তোলে মাত্র ১৭১ রান। অধিনায়ক সাই হোপ এবং সেরফান রাদারফোর্ড-ছাড়া আর কোনও ব্যাটার সেভাবে দাঁড়াতেই পারেননি। ওই দুই ব্যাটার অর্ধশতরান না করলে এটুকু লড়াইও দিতে পারতে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বোলারদের নমন ধীর অভিষেক ম্যাচেই ৩ উইকেট পান। ২টি করে উইকেট পান কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
