টিম ইন্ডিয়ার ফেরার প্রত্যাশাই সেরাটা বের করে আনে? বাংলাকে জিতিয়ে মুখ খুললেন শাহবাজ

টিম ইন্ডিয়ার ফেরার প্রত্যাশাই সেরাটা বের করে আনে? বাংলাকে জিতিয়ে মুখ খুললেন শাহবাজ

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


বাংলা টিমে হালফিলে সেরা অলরাউন্ডারের নাম নিশ্চিতভাবেই শাহবাজ আহমেদ। নিজেদের তিনটে উইকেট দ্রুত পড়ে যাওয়াই হোক বা প্রতিপক্ষের জুটি জমাট হওয়া- প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁরই খোঁজ পড়ে। লাহলিতে হরিয়ানার বিরুদ্ধে ফের একবার নিজের ‘ওজন’ বোঝালেন বঙ্গ অলরাউন্ডার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট নিয়ে হলেন ম্যাচের সেরা। তারপর ফোনে ‘সংবাদ প্রতিদিন‘-এর প্রশ্নের জবাবও দিলেন শাহবাজ।

আরও পড়ুন:

প্রশ্ন: প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ছয়। ১১ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা। প্রথম শ্রেণিতে এক ম্যাচে সেরা বোলিং পরিসংখ্যান। নিজের পারফরম্যান্স আপনার কেমন লাগছে?

শাহবাজ: দারুণ লাগছে। সেরা বোলিং পারফরম্যান্স সবসময়ই আনন্দ দেয়। নিজে ভালো পারফর্ম করছি। দল রনজির কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। সেটা আরও বেশি আনন্দের বিষয়।

প্রশ্ন: ইডেন বা কল্যাণীর সবুজ উইকেট হোক বা লাহলির স্পিন সহায়ক পিচ- শাহবাজ আহমেদ সব জায়গায় সাফল্য পান। এই পারফরম্যান্সের রহস্যটা কী?

Shahbaz Ahmed opens up after becoming man of the match for Bengal Cricket Team in Ranji TrophyShahbaz Ahmed opens up after becoming man of the match for Bengal Cricket Team in Ranji Trophy
শামির সঙ্গে শাহবাজ। ফাইল ছবি

শাহবাজ: দেখুন প্রতিটা মাঠের পরিস্থিতি আলাদা হয়। ইডেনের মাঠ একরকম, লাহলিতে আবার অন্যরকম। আমি শুধু জোর দিই দল আমার থেকে কী চাইছে, তার উপর। দল যে পরিকল্পনা নিয়ে খেলে আমি সেটা বাস্তবায়নের উপর জোর দিই। যেমন কল্যাণীর কথাই ধরুন। ওখানে উইকেটে ঘাস বেশি থাকে। পেসাররা সাহায্য পায়। ফলে আমার দায়িত্ব হল যতটা সম্ভব রান ঠেকানো। আর মাঝের দিকে একটা-দু’টো উইকেট তুলে নেওয়া। দল আমার থেকে এটাই প্রত্যাশা করে। আমিও সেভাবে খেলার চেষ্টা করি। ব্যস। এবছর দল হিসাবে আমরা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারছি। তার ফলে পারফরম্যান্সও ভালো হচ্ছে।

প্রশ্ন: সামি-আকাশ-মুকেশের মতো পেসার থাকায় বাংলা ঘরের মাঠে সবুজ উইকেটে খেলে। কিন্তু কখনও মনে হয় না, ঘরে স্পিন সহায়ক পরিবেশ পেলে আরও উইকেট পেতেন? বোলিং পরিসংখ্যানটা আরও আকর্ষণীয় দেখাত?

শাহবাজ: মনে যে হয় না, তা নয়। স্পিন সহায়ক পরিবেশ পেলে আরও বেশি উইকেট পেতাম হয়তো। রেকর্ডটা আরও ভালো হত। কিন্তু আমাদের পেস অ্যাটাকটা দেখুন। তাই কল্যাণী আর ইডেনের পরিবেশ পেস সহায়ক হিসাবে তৈরি করা হয়। আর দলের জন্য যেটুকু করতে পারছি, আমি তাতেই সন্তুষ্ট। তাতে উইকেট কম এলেও সমস্যা নেই। দলের চাহিদা অনুযায়ী খেলতে পারলেই আমি খুশি।

প্রশ্ন: মুস্তাক আলি-র মাঝে বাবা হয়েছেন। তখন দল হেরে যাওয়ায় নিজে বাড়ি ফেরা পিছিয়ে দিয়েছিলেন…।

শাহবাজ: আসলে বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট আমাকে সবকিছুতে সাপোর্ট করে। বিশেষত কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা এবং অন্যরা। কোচ বলেই দিয়েছিল, আমি নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারব। হায়দরাবাদ থেকে বাড়ি ফেরার কথা ছিল একদিনের জন্য। পরিবার থেকে বলেছিল, আরও একটা ম্যাচ খেলে যেতে পারব। তাই একদিন পর বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে বিমান বিভ্রাটে ফেঁসে যাই। তাই আরও একটা ম্যাচ খেলতে পারিনি।

বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট আমাকে সবকিছুতে সাপোর্ট করে। বিশেষত কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা এবং অন্যরা। কোচ বলেই দিয়েছিল, আমি নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

প্রশ্ন: সম্প্রতি পরিবর্ত হিসেবে জাতীয় দলে ফেরার অভিজ্ঞতা কেমন?

শাহবাজ: বর্তমান ম্যানেজমেন্ট যেভাবে আমার উপর বিশ্বাস রেখেছে, দলে ডেকেছে, সেটা আনন্দের। আর আইপিএল বা ঘরোয়া ক্রিকেটের সুবাদে এই দলের প্রায় সবার সঙ্গেই খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে। কিছুই নতুন নয়। এই দলেরও পরিবেশ খুব ভালো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য সবাইকে শুভেচ্ছা। আশা করছি, ওরা চ্যাম্পিয়ন হবে।

প্রশ্ন: পাকাপাকি ভাবে জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে কোনও পরিকল্পনা করছেন?

শাহবাজ: কোনও পরিকল্পনা নেই। প্রত্যাবর্তনের চাপ নেই আমার উপর। যে মঞ্চেই খেলি না কেন, আমি শুধু ভালো পারফর্ম করে যেতে চাই। তাতে যদি কিছু হয়, হবে।

আরও পড়ুন:

Shahbaz Ahmed opens up after becoming man of the match for Bengal Cricket Team in Ranji TrophyShahbaz Ahmed opens up after becoming man of the match for Bengal Cricket Team in Ranji Trophy
ভারতীয় দলের জার্সিতে শাহবাজ আহমেদ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *