ঝাল-মিষ্টি হট-কুল, তখন জীবন বিউটিফুল

ঝাল-মিষ্টি হট-কুল, তখন জীবন বিউটিফুল

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


চিরদীপা বিশ্বাস

‘এই যে কুম্ভকর্ণের মেজো নাতি… নিজে উঠুন, ছানাকেও ওঠান। ওদিকে স্কুল আছে বলে এখনই কান্না জুড়ল!’ বাবার বদলে ‘বাবু’র ঘুম গেল চটকে। ব্যাস… মল্লার রাগ সহযোগে বারিবর্ষণ চালু, শুরু, আরম্ভ, স্টার্ট। এখানে বলে রাখা ভালো, বাবুর জায়গায় সোনা, মনা, বাপি বা ধনাও হতে পারে। আমরা আপামর মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি হিসেবে ‘বাবু’ নামটাই নিলাম।

মা চেয়েছিল বাবু পড়বে ইংরেজি ইস্কুলে… থুড়ি, ‘ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে’। সেখানে গিয়ে সাহেবদের মতো ঝরঝরে বিলিতি আদবকেতা শিখবে। নিজের জীবনে সেসব হয়নি তো কী হয়েছে, ‘কোই বাত নেহি, বাবু করকে দিখায়েগা’। বড় হয়ে বাবু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা নিদেনপক্ষে আইপিএস—যে কোনও একটা পাক্কা। বাট বার্নড ফোরহেড… মানে কপাল পোড়া আর কী! বাদ সাধল মধ্যবিত্ত বাবুর বাবার পকেট। অগত্যা বাংলা ইস্কুলই ভরসা। তবে হ্যাঁ, এক্কেবারে ‘গভর্নমেন্ট’ স্কুলে নয়, পকেট-ফ্রেন্ডলি কোনও একটা ভালো প্রাইভেট স্কুলে।

এভাবেই পিঠের প্রমাণসাইজ নতুন ব্যাগে মায়ের হাজারো আশা, আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ইত্যাদি ও প্রভৃতি পুরে, বাবার স্কুটারের সামনে পাদানিতে দাঁড়িয়ে ঢুলতে ঢুলতে, কাঁদতে কাঁদতে বাবুর ইস্কুল যাত্রা শুরু। সেখানেও আর এক মহাজ্বালা। সক্কাল সক্কাল কীসব শক্ত শক্ত সংস্কৃত শ্লোক, ‘মঙ্গল কর নির্মল কর’ গান— একদম ভাল্লাগে না ছাই। তাই মনে হল, ‘কেঁদে দিই এট্টু!’ সঙ্গীও মিলল অনায়াসে। বিভিন্ন তালে, নানা স্কেলে শুরু হল কান্নার লহরা। দিদিমণিরাও দারুণ, তাঁরা হাসিমুখে সামলাচ্ছেন, আদর করছেন, টফি দিচ্ছেন। বাবু বুঝল, ব্যাপারটা বেশ মজার তো! যত বেশি কান্না, তত বেশি টফি। এভাবেই ইস্কুলের প্রতি ভালোলাগা শুরু হল ধীরে ধীরে। বাড়ি ফিরে এখন সমবয়সি বন্ধুদের নিয়ে কত গল্প হয়। টিফিনে কেক, ম্যাগি বা চাউমিন নিয়ে যাওয়ার জন্য মায়ের কাছে রোজ নতুন নতুন বায়না হয়। মায়েরও স্বস্তির নিঃশ্বাস, যাক ছেলে অন্তত স্কুলে তো যাচ্ছে!

এদিকে, দেখতে দেখতে বাবুর ক্লাস ফোর। পেন্সিল ছেড়ে এবার পেনের যুগ। ভুলগুলো মোছা এবার বেশ শক্ত। আর সেইসঙ্গে অঙ্ক আর ইংরেজিটা কিছুতেই ঠিক বাগে আসছে না। ছেলেও তেমনি, পড়ার চেয়ে আঁকার ক্লাস নাকি তার বেশি ফেভারিট। সেখানে অন্তত পেন্সিল আছে, ভুল হলে রাবার দিয়ে ঘষে ঠিক করে ফেলা যায়। যদিও একদিক থেকে ভেবে দেখলে ভালোই, ডাক্তার হোক বা ইঞ্জিনিয়ার… আঁকাআঁকির তো একটা বিশাল ব্যাপার আছেই!

বছর ঘুরে বেরোল ক্লাস ফোরের ফাইনাল রেজাল্ট। বাবু হল সেভেন্থ। ওই অঙ্ক আর ইংরেজিতেই যা একটু ধেরিয়েছে। শুরু হল ক্লাস ফাইভে ভর্তির জোর তোড়জোড়। নামী স্কুলে হবে তো লটারি… পুরোটাই ভাগ্যের খেল। স্কুল থেকে ফর্ম তোলো, আর রেজাল্টের দিন গিয়ে বুকের ধুকপুকানি নিয়ে দেখো নাম উঠল কি না।

আহারে, না… জেলার সেরা বয়েজ স্কুলে বাবুর ভাগ্যের শিকে আর ছিঁড়ল না। ছলছল চোখে বাবুর মা ভর্তি করাল শহরের ‘সেকেন্ড বেস্ট’ স্কুলটাতেই। এদিকে ছেলের কিন্তু হেব্বি মস্তি। আরে… নতুন স্কুল, নতুন নতুন সব বন্ধু, গায়ে নতুন ইউনিফর্ম! সে এখন হুডখোলা ভ্যানে করে স্কুল যায়, বন্ধুদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। বাবা-মায়ের বদলে এখন আলাদা আলাদা টিউশন টিচার পড়ান… হুমম্, সেখানেও একঝাঁক নতুন বন্ধু। হঠাৎ করে বাবুর জীবনে বন্ধু ব্যাপারটা যেন হু হু করে বাড়তে থাকে, আর সেও বেশ বুঝতে শেখে ইস্কুল জীবন মানেই ‘ইজ কুল’। না মানে সেটাই তো স্বাভাবিক, কিন্তু মায়ের মন তো! টিনএজ শুরু হব হব করছে, এই বয়ঃসন্ধির সময়টা তো মারাত্মক। তার ওপর বছরকয়েক বাদেই জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা, মা-ধ্য-মি-ক!

বাবু অবশ্য বেশ মৌজেই আছে। সে বুঝতে শুরু করেছে, স্কুল আর বন্ধুরা হল জীবনের যাবতীয় বন্ধুরতা ঘোচানোর এক্কেবারে জম্পেশ ওষুধ। সেদিনের সেই কাঁদতে কাঁদতে স্কুল যাওয়া বাবু, এখন হাইস্কুলের রীতিমতো শাইনিং স্টার। পড়াশোনায় মিডিওকার হলেও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিতে একেবারে নয়নের মণি। স্পোর্টস থেকে শুরু করে অ্যানুয়াল ফাংশন—সব জায়গাতেই তিনি সগৌরবে বিরাজমান। ওদিকে আবার পাড়ার ফুটবল টিম… সেখানেও সে অপরিহার্য। সাদাসিধে বাবা এসব নিয়ে বিশেষ মাথা না ঘামালেও মায়ের আবার এই নিয়ে মহাচিন্তা। সারাক্ষণ মাঠেঘাটে দৌড়োলে ডাক্তারিতে চান্স মিলবে তো, নাকি স্পোর্টস কোটায় ভরসা করতে হবে? এসব হার্ডল অনায়াসে টপকে বাবু অপোনেন্ট টিমকে দিব্যি গোল দেয়। গ্যালারি থেকে সিনিয়ার, ক্লাসমেট সবাই একসঙ্গে চিৎকার করে ওঠে, ‘উহ গুরু, ছবি! ছবি!’ হুমম, কথাবার্তাতেও হাইস্কুল এফেক্ট বেশ ভালোমতোই লাগছে বৈকি। এরই মধ্যে মধ্যমেধার বাবু কীভাবে যেন ক্লাস ফাইভ আর সিক্সে ফাটাফাটি রেজাল্ট করে ফেলে। উপহার হিসেবে জোটে ঝকঝকে নতুন সাইকেল। ক্লাস সেভেনে বাবু তখন সেই হিরো সাইকেলে চেপে বন্ধুদের সঙ্গে এক্কেবারে পাক্কা হিরো। আসল স্কুলজীবন তো শুরু হুয়া অব সে! একেবারে ‘বান্ধা বাছুর ছাড়া পাইছে’ কেস। স্কুলে যাওয়া… বন্ধু, টিউশনে যাওয়া… বন্ধু, এমনকি স্কুল পালিয়ে… (আজ্ঞে হ্যাঁ, সেটিও এর মধ্যে বেশ রপ্ত করে ফেলেছে বৈকি। তবে যে লেভেলের কথা ভাবছেন, এখনও ঠিক সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। নেহাতই এদিক-ওদিক ছেলেমানুষি ঘোরাফেরা আর কী)।

অতএব বুঝতেই পারছেন, এতসব সামলাতে গিয়ে রেজাল্টে বিশেষত অঙ্কে পঁচিশে চার, পাঁচের সুনামি আছড়ে পড়ল। ব্যাস… খোঁজ লাগাও শহরের বেস্ট অঙ্ক ব্যাচের। কিন্তু সেখানে মিড সেশনে তো আবার ভর্তি নেবে না। অগত্যা ক্লাস এইটের জন্য আগাম বুকিং ডান বাই দি পেরন্টস অফ বাবু অ্যান্ড কোং। টেনেটুনে সায়েন্স গ্রুপ কোনওমতে পাশ করলেও মুখরক্ষা করাল আর্টস, আর হ্যাঁ, ইংরেজিটাও। ওই সিন, আনসিন থেকে দিব্যি টুকেটুকে লেখালেখিই তো… একেবারে বিন্দাস!

তবে এবার শুরু হল বুক দুরুদুরু হওয়ার পালা। পাঁচ-ছয়জনের সিটিং গ্রুপ ছেড়ে এবার বিশাল বড় ব্যাচ। অন্য স্কুলের বাঘা বাঘা স্টুডেন্টও থাকবে সেখানে। কিন্তু কোথায় কী! দুরুদুরু গন। বাবুদের মনে তখন বাজছে, ‘অব ইয়াহাঁ সে কাঁহা যায়ে হাম!’ ঠিক সেই সময়ে, ‘এই যে…’ বলে বাজখাঁই গলা তাল কেটে দিল, যেন সাক্ষাৎ মহব্বতের অমিতাভ বচ্চন। মনের বেহালা বাদন থামিয়ে শাহরুখ থুড়ি বাবুর দল গুটিগুটি পায়ে নিজেদের বরাদ্দ বেঞ্চিতে গিয়ে বসল। অন্য স্কুলের ঐশ্বর্যদের সঙ্গে প্রায় এক সমুদ্দুর ব্যবধান। এই পরিবেশে কি আর ঐকিক নিয়ম, শতকরা মাথায় ঢোকে! সপ্তাহে দু’দিনের সেই ব্যাচ যেন ‘পরম্পরা-প্রতিষ্ঠা-অনুশাসনে’ বাঁধা। তারই মাঝে অঙ্ক কম, রসায়ন জমল বেশি। হিরো আর লেডিবার্ড সাইকেলের যুগলবন্দি তখন একেবারে তুঙ্গে। ব্যাস, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অমিতাভ স্যর নিজেই নেমে পড়লেন ফিল্ডে। বয়েজ ব্যাচ আর গার্লস ব্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা করে দেওয়া হল। পুরো ‘ছন সে জো টুটে কোই সপনা’ অবস্থা! লোকেশনও আলাদা… কী নিষ্ঠুর সমাজ! হপ্তাকয়েক তো ত্রাহি ত্রাহি ব্যাপার-স্যাপার। পুত্রের বয়স পিতার চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে, তো ট্রেনের গতি সাইকেলের চেয়ে কম হয়ে যাচ্ছে। শেষে কান ধরিয়ে, পিটিয়ে, ধমকে লাইনে আনা হল লায়লা-মজনুদের। ক্লাস এইটের বৈতরণি এভাবেই পেরোল ঠিকঠাক।

অব শুরু সলি খেল। টিভি বন্ধ, খেলা বন্ধ, এক্সট্রা টিউটর চালু। দু’বছরের নামে শুরু হল অপরিসীম টরচার। সাইন থিটা, কস থিটা, শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, নেপোলিয়ন, মৌসুমি বায়ু, মাইটোকন্ড্রিয়া, প্রেসি, নোবেল গ্যাস— উফফ! ফুটবল মাঠ যেন এখন রয়েল বেঙ্গলের বাসা। মক টেস্ট চলছে তো চলছেই। অবশেষে নাইনের রেজাল্টে ফলও মিলল হাতেনাতে। বাবুদের সব নাইন্টি পার্সেন্ট পার। এক বছরের মধ্যে আর কয়েকটা পার্সেন্ট বাড়াতে পারলেই… ব্যাস, খবরের কাগজের ফার্স্ট পেজে ছবি পাক্কা। বাবুদের মায়েরা এক্কেবারে বজ্র আঁটুনি দিয়ে বেঁধে ফেলেছেন, ফসকা গেরোর নো চান্স। বাবুরাও খানিক সিরিয়াস এখন— ‘ভালো করে ওতরাই বাবা, এরপর সব অঙ্কের বই নদীতে ভাসিয়ে দেব।’ মায়েরা তো আর ছেলেদের এই গোপন প্ল্যানিং জানেন না। ভাবুন তাহলে, তাঁদের ‘জোরকা ঝটকা’ লাগল কেমন, যখন আফটার মাধ্যমিক একহপ্তা চিলিংয়ের পর বাবু গম্ভীর মুখে ডিক্লেয়ার করল, ‘আমি আর্টস নেব!’ এদিকে অন্য বাবুরা ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি টিউশন স্টার্ট করে দিয়েছে অলরেডি। এমতাবস্থায় বেরোল রেজাল্ট। কাগজে নাম উঠল না ঠিকই, কিন্তু মার্কস বেশ জব্বর। এদিকে, বাবার সাপোর্ট এবং নিজের জেদে বাবু শেষমেশ নিল আর্টস। শহরের ওই সেরা স্কুলটিতে চান্সও পেয়ে গেল। কিন্তু নতুন স্কুলে যাওয়ার আগে মনটা কেমন যেন হুহু করে কেঁদে উঠল। এবার আর টফির জন্য নয়। পুরোনো স্কুলের ফেয়ারওয়েলে তো কাঁদেনি, ভেবেছিল ফিরব তো এখানেই। কিন্তু তা আর হল কই? পুরোনো স্যরদের সঙ্গে শেষবার দেখা করতে গিয়ে চোখটা কেমন যেন ভিজে এল।

মা অবশ্য এতদিনে ছেলের জন্য আইপিএসের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে, নতুন স্কুলেও কিন্তু আসর জমিয়ে ফেলেছে বাবু। যে ফুটবল টিমকে আগে অবলীলায় গোল দিত, এখন সেই টিমের হয়েই গোল দেয়। হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন, আঙুলে মাঝেমধ্যে… থাক, নাই বা বললাম। ওদিকে, স্কুল কাটিয়ে অভিসার পর্বও শুরু হব হব করছে (হ্যাঁ, এবার ঠিকই ভাবছেন)। সাইকেল চালিয়ে আসেন আমাদের রাধিকা, ঐশ্বর্য এখন অতীত। ইতিহাস ব্যাচে প্রথম দিন দেখেই আমাদের কেষ্টঠাকুর তো ক্লিন বোল্ড। সিগন্যাল-টিগন্যালে বিশেষ কাজ হয়নি। তার ওপর হপ্তায় একদিন দেখে মন ভরছিলও না। অগত্যা ‘ইংরেজি স্ট্রং করতে হবে’—মা যশোদাকে এই পরম সত্য বুঝিয়ে বাবু ভর্তি হয়ে গেল খোদ রাধিকার ব্যাচে। ওটা আবার দু’দিনের ব্যাচ। বুঝতে পারছেন তো হিসেবটা! তিনদিন পাক্কা দেখা হবে। স্পেশাল ক্লাস থাকলে তো, ওহহ, সোনায় সোহাগা! রাধিকা অবশ্য খুব বেশি কথা-টথা না বললেও… মানে ওই আর কী, চোখের ভাষা। তাই বলে ডিরেক্ট ‘আই _ _’ বলা তো আর যায় না। গেল বেজে তেরোটা। রাধা আমাদের এই মারে কি সেই মারে। মন ভাঙল কেষ্টর। অবশেষে অগতির গতি সেই বন্ধুদের কাছেই দুঃখ শেয়ার। কিন্তু এবার যেন এই বন্ধুরাই মধ্যিখানে ঢুকে সবটা আরও বন্ধুর করে দিল। ঠিক হওয়ার বদলে পুরো ঘেঁটে ঘ। জীবন সহজ করা বন্ধুদল কেমন যেন জটিল ঠেকতে লাগল। ইলেভেন পার হল ঠাকুর ঠাকুর করে। বাবুর মা এখন খানিকটা নীরব দর্শক। ‘আমার দ্বারা ওসব আইপিএস পরীক্ষা হবে না’, ছেলের স্পষ্ট ডিক্লারেশন।

টুয়েলভের ফেয়ারওয়েলের ঠিক আগের দিন ‘আই নিড টু ফোকাস অন মাই কেরিয়ার’ বলে রাধিকা তো একেবারে পগারপার। একদিকে স্কুল শেষের দুঃখ, অন্যদিকে এই বিরহ। দুয়ের একত্র বহিঃপ্রকাশ ঘটল পরদিন স্কুলের হলঘরে। শার্টে নাম সই, ‘তেরে য্যায়সা ইয়ার কাহাঁ’র আবেগের মধ্যেও বন্ধুত্বের বন্ধুরতা, জীবনের জটিলতার আঁচ পাওয়া— সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল কপোল ভেজানো তরলে। সবুজ মাঠ, রোদের মধ্যে নীলডাউন, ইউনিফর্ম, বেঞ্চ বাজানো, ব্ল্যাকবোর্ড, চক, ডাস্টার, নাম লেখা রেজিস্টার—সব পেছনে পড়ে রইল। চোখের জলে শুরু হওয়া জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শেষ হল চোখের জলেই।

জাস্ট আ মোমেন্ট… সত্যিই কি শেষ হল? আরে না না, পরীক্ষাই তো হয়নি এখনও! স্কুল ভালোবাসি ঠিকই, তাই বলে আবেগতাড়িত হয়ে ফেল্টু মেরে আবার স্কুলে ফিরে আসব নাকি! যাই বাবা, পড়তে বসি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *