জরায়ুতে ছ’মাসের শিশুর আকারের টিউমার! অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন তন্বী?

জরায়ুতে ছ’মাসের শিশুর আকারের টিউমার! অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন তন্বী?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


বাংলা মেগার অত্যন্ত পরিচিত মুখ তন্বী লাহা রায়। নেতিবাচক চরিত্রে বারবার বাঙালি দর্শকের মনে দাগ কেটেছেন। টেলিভিশনের গণ্ডি পেরিয়ে ওয়েব সিরিজে হাতেখড়ি অভিনেত্রীর। আর ঠিক সেই সময়ই জীবনে চরম বিপত্তি। শরীরে বাসা বেঁধেছিল মারাত্মক রোগ। অস্ত্রোপচার ছাড়া সুস্থ হওয়া দূরঅস্ত। এরকম পরিস্থিতিতে অবশ্য পরিচালক তন্বীর বদলে অন্য কাউকে ভাবেননি। প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি শুটিং করেছেন। অবশেষে অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপতালে ভর্তি হয়েছেন। আর সেখান থেকেই এই কথাগুলো শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।

হাতে স্যালাইনের চ্যানেল, চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। কী হয়েছে তন্বীর? সমাজমাধ্যমে নিজেই শারীরিক অবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। জরায়ুতে ফাইব্রয়েড টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়েছে। মোট ন’টি ফাইব্রয়েডের মধ্যে দুটি আকার প্রায় ৯.৫ সেন্টিমিটার। যা ছ’মাসের শিশুর আকারের সমান। বাকি ফাইব্রয়েডগুলিও মাঝারি আকারের ছিল। অস্ত্রোপচার ছাড়া নির্মূল হওয়া অসম্ভব। প্রথমে অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে আতঙ্কিত ছিলেন তন্বী।

আরও পড়ুন:

মাসজুড়ে একের পর এক চিকিৎসকের পরামর্শ, একগুচ্ছ টেস্টের মধ্যেই সময় কেটেছে। তন্বীর কথায়, ‘নিদ্রাহীন রাত, অন্তহীন দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ। শুধু একের পর এক ব্লাড টেস্ট, এমআরআই, ইনজেকশন আর ডাক্তার।’ অস্ত্রোপচারের পর আপাতত সুস্থ আছেন তন্বী। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই চোখ রেখেছেন গল্পের বইয়ের পাতায়। আগামী ২৭ জুলাই তন্বীর জন্মদিন। ঠিক তার আগেই জীবনের এই বিপর্জয়ে মন খারাপ অভিনেত্রী।

দুঃখপ্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এই বছরের জন্মদিনের মাসটা যে এভাবে কাটবে কোনওদিনও ভাবিনি। জন্মদিন উদযাপন তো দূরের কথা, ঘুরতে যাওয়ার টিকিটও বাতিল করতে হয়েছে। সত্যিই, জীবনে এমন জন্মদিনের মাস কখনও কল্পনাও করিনি।’ প্রথম ওয়েব সিরিজের একদিনের শুটিং এখনও বাকি রয়েছে। সুস্থ হয়ে খুব তাড়াতাড়ি কাজে ফিরতে পারবেন বলে আশাবাদী তন্বী লাহা রায়। কঠিন সময়ে পাশে রয়েছে তন্বীর পরিবার।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘তাঁদের ভালোবাসা আর ঠাকুরের আশীর্বাদ ছাড়া হয়তো এই কঠিন পথটা এতটা সাহস নিয়ে পার করতে পারতাম না। এখন আমি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার পথে। প্রতিটি দিন একটু একটু করে নিজেকে ফিরে পাচ্ছি। খুব শিগগিরই আবার কাজে ফিরতে চাই, কারণ ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো আর শুটিং করাই আমার ভালো থাকার সবচেয়ে বড় ওষুধ। সবাই আমাকে আশীর্বাদ করবেন।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *