চণ্ডীপুরের বাড়িতে চন্দ্রনাথের দেহ, কান্নায় ভাঙলেন আত্মীয়রা, শোকে বিহ্বল অধিকারী পরিবারও

চণ্ডীপুরের বাড়িতে চন্দ্রনাথের দেহ, কান্নায় ভাঙলেন আত্মীয়রা, শোকে বিহ্বল অধিকারী পরিবারও

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের বাড়িতে পৌঁছল চন্দ্রনাথ রথের দেহ। আজকেই তার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। দেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়-পরিজনেরা। পাড়া-প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ছিলেন জেলা থেকে জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা। ছিলেন নেতা-কর্মীরাও।

চণ্ডীপুরে চন্দ্রনাথের বাড়ির অদূরেই তাঁর দেহ শায়িত রাখা হয়। তাঁকে শেষবার দেখতে যান শুভেন্দু অধিকারীর দাদা ও ভাই। তাঁরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। কথা বলেন চন্দ্রনাথের মায়ের সঙ্গেও। চন্দ্রনাথের বাড়ির সামনে জমায়েত ভিড় থেকে দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্লোগান ওঠে। শোনা যায় ভারত মাতা কি জয় স্লোগান। জাতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় চন্দ্রনাথের দেহ। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক হিসাবে কাজ করার আগে তিনি বায়ুসেনা অফিসার ছিলেন।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, বুধবার মাঝরাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পরপর প্রায় ১০ রাউন্ড গুলি চলে। রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়িতে লুটিয়ে পড়েন চন্দ্রনাথ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রাম চৌমাথা সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে ওঠার আগেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।

হাড়হিম করা এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্তরা। পুলিশের তরফে সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করেছে। তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চন্দ্রনাথের গাড়িকে অনুসরণ করেই হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। অপরাধের ধরন দেখে দীর্ঘদিন রেকির পর এটি একটি পরিকল্পিত খুনের ঘটনা বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। মাত্র ৫০ সেকেন্ডের এই অপারেশন ভিনরাজ্যের পেশাদার খুনি বা শার্প শুটার দিয়ে ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলেও অনুমান। ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতী যোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ, ঘটনার পরপরই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও অভিযুক্তদের খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, অলিগলি দিয়েই দুষ্কৃতীরা পালিয়েছে। এলাকায় পরিচিত কেউ জড়িত না থাকলে তা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কেন খুন, তা নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *