গেরুয়া হাতে নিলেই প্রার্থী হওয়া যাবে না! পুরভোটের আগে ‘নব্য’ বিজেপিকে সাফ বার্তা শমীকের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


গেরুয়া পতাকা হাতে নিলেই বিজেপিতে ‘ভবিষ্যৎ প্রার্থী’ হওয়া যাবে না। পুরভোটের আগে দলীয় কর্মীদের এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার বারাসতের রবীন্দ্রভবনে বিজেপি শিক্ষক সেলের আয়োজিত শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানকার বক্তব্যে তাঁর নিশানায় ছিলেন সম্প্রতি দলে আসা কয়েকজন ‘স্বঘোষিত নেতা’।উল্লেখ্য, এর আগে পুরভোটের প্রার্থী সম্পর্কে দলের সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য ছিল, ”জিততে পারলেই টিকিট মিলবে।” এদিন শমীকের বক্তব্য ঠিক তার বিপরীত।

শমীকের কথায়, “কিছু মানুষ হঠাৎ বিজেপির পতাকা নিয়েছে, গেরুয়া আবির লাগিয়েছে। আগে তার যে দল, তৃণমূল কংগ্রেস, সেই দলে ভাগ নিয়ে তাদের যে গন্ডগোল, তার জন্য পাথর-তাতর, ইট-বালি ছুড়ছে, বাড়ি ভাঙছে। তারাই নিজেকে এমনভাবে প্রজেক্ট করছে যেন ভবিষ্যতের প্রার্থী।”

আরও পড়ুন:

শমীকের কথায়, “কিছু মানুষ হঠাৎ বিজেপির পতাকা নিয়েছে, গেরুয়া আবির লাগিয়েছে। আগে তার যে দল, তৃণমূল কংগ্রেস, সেই দলে ভাগ নিয়ে তাদের যে গন্ডগোল, তার জন্য পাথর-তাতর, ইট-বালি ছুড়ছে, বাড়ি ভাঙছে। তারাই নিজেকে এমনভাবে প্রজেক্ট করছে যেন ভবিষ্যতের প্রার্থী।” এমন দাবির প্রেক্ষিতে তাঁর সাফ মন্তব্য, “তাঁরা সবাই অপ্রাসঙ্গিক। মানুষ তো তাঁদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।”

বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে পুজো কমিটি দখল বা পুজো বন্ধের চেষ্টা হলে তা আটকানোর নির্দেশ দেন শমীক। পুরনো নেতা-কর্মীদের ক্ষেত্রেও ছাড় নেই, তা জানিয়ে শমীকের বক্তব্য, “তোলাবাজির সংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না।”

শুধু প্রার্থী হওয়ার দৌড় নয়, ‘দখলদারি’র রাজনীতির বিরুদ্ধেও বার্তা দিয়েছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, “মানুষ দখলদারির রাজনীতি বন্ধ করার জন্য আমাদের ভোট দিয়েছেন। মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন জামার ভিতরের মানুষটাকে পরিবর্তন করার জন্য, জামা পরিবর্তন করার জন্য নয়।” বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে পুজো কমিটি দখল বা পুজো বন্ধের চেষ্টা হলে তা আটকানোর নির্দেশ দেন শমীক। পুরনো নেতা-কর্মীদের ক্ষেত্রেও ছাড় নেই, তা জানিয়ে শমীকের বক্তব্য, “তোলাবাজির সংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না।”

এরপরই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, “তৃণমূল তৃণমূলকে ডিম মারছে। যারা ডিম ছুড়ছে, তারা ভাগে কম পেয়েছে।” পুলিশের মেটাল ডিটেক্টর থাকলেও ‘ডিম ডিটেক্টর’ নেই – এই রসিকতাও করেন তিনি। তবে তাঁর বার্তা, “এর বাইরে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।” এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে শমীক বলেন, “তারা এনডিএ-র শরিক। এনডিএ-তে তাদের স্বাগত জানানো হয়েছে। তবে তাদের ভবিষ্যৎ তারাই বলতে পারবে।” একইসঙ্গে কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের আসন্ন ভোটে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করবে বলেও দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *