গবাদি পশুর শামোন্ডা ভাইরাস মানুষের শরীরে! কতটা চিন্তার, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


চিন থেকে এসেছিল করোনা। ফ্রান্স থেকে শামোন্ডা আসবে না তো? চিন্তিত ভাইরোলজিস্টরা

গরু, ঘোড়ার শরীরের শামোন্ডা ভাইরাস মানুষের শরীরে। এই প্রথম। যদিও যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে তার দূরত্ব বাংলা থেকে সাত হাজার আটশো কিলোমিটার। তবে পশুদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানো শামোন্ডা ভাইরাস মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ‌্য, ষাট শতাংশের বেশি সংক্রামক রোগ পশু থেকে মানুষের দেহে ছড়ায়। চিকিৎসা পরিভাষায় এ ধরনের অসুখকে বলা হয় জুনোটিক রোগ। সাম্প্রতিক কালে কোভিড ১৯ ভাইরাস কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা পৃথিবীকে। বিজ্ঞানীদের মতে SARS-CoV-2 ভাইরাসের জেনেটিক গঠন সবচেয়ে বেশি মেলে বাদুড়ের মধ্যে পাওয়া করোনা ভাইরাসের সঙ্গে। কিছু গবেষকের ধারণা, সরাসরি বাদুর থেকে নয়, ভাইরাসটি আরও একটি প্রাণীর মাধ‌্যমে মানব শরীরে এসেছে। প‌্যাঙ্গোলিন সেই মধ‌্যবর্তী বাহক। সেই তালিকাতেই এবার নতুন ভাইরাস শামোন্ডা।

এতদিন পর্যন্ত মনে করা হত, শামোন্ডা ভাইরাস মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে অক্ষম। আফ্রিকা ও এশিয়ায় কয়েক দশক ধরে পশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব রয়েছে। ভাইরোলজিস্ট ড. সিদ্ধার্থ জোয়ারদার জানিয়েছেন, মানুষের শরীরে সংক্রমণের কোনও নথিভুক্ত ঘটনা এই প্রথম। ভয়টা সেখানেই। কিভাবে ছড়ায় ভাইরাস? রক্তচোষা একধরনের মাছি প্রথমে কামড়ায় গবাদি পশুকে। গবাদি পশু থেকে সেই মাছি ভাইরাস বয়ে নিয়ে এসে তা ছড়ায় মানুষের শরীরে।

ইতিমধ্যেই ‘না মানুষ’থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়ানো ঠেকাতে বঙ্গে জেলায় জেলায় তৈরি হয়েছে ওয়ান হেলথ কমিটি। ভাইরোলজিস্ট সিদ্ধার্থ জোয়ারদার রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাহক বাহিত সংক্রামক রোগ বাড়বে। ভাইরাসও তার পরিচিত হোস্ট ছেড়ে প্রজাতিগত বাধা অতিক্রম করে অন‌্য প্রাণিতে আশ্রয় নেবে। এক্ষেত্রে গবাদি পশুর রোগ মানুষে চলে আসছে। এই ভাইরাস আফ্রিকার গন্ডি অতিক্রম করে এশিয়া ইউরোপে কিউলিকয়ডিস মাছির মাধ‌্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। অন‌্যদিকে ভাইরাসের জিনোমের পরিবর্তন ভাইরাসকে অন‌্য প্রাণীর দেহে বাসা বাঁধতে সাহায‌্য করছে। তবে এখনই ভয়ের কিছু নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *