ভাড়াবাড়িতে মদের আসর বসিয়েছিল দুই বন্ধু। তখনই ঝামেলা। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। বন্ধুর হাতে খুন হন বন্ধু। তারপর বাড়িওয়ালা ও ‘খুনি’ বন্ধু দেহ লোপাট করে। ঘটনার দিন ২০ পেরিয়েছে। এই প্রতিটা দিন খুন হওয়া বন্ধুকে স্বপ্নে দেখেছে অভিযুক্ত যুবক। এমনটাই দাবি খোদ অভিযুক্ত বন্ধুরই। তারপর নিজে গিয়েই থানায় আত্মসর্মপণ করেছে ওই যুবক। গ্রেপ্তার হয়েছে ওই বাড়ি মালিকও।
ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলি জেলার মোথাগাঁওয়ে। অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। তারা ঘনিষ্ট বন্ধু ছিল। দিন ২০ আগে মদ্যপানের আসর বসান তারা। সেখানে প্রভু ও বিশালের ঝামেলা বাধে। তা থেকে হাতাহাতি, মারধর। প্রভু বিশালকে বেধড়ক মারধর করে। এলোপাথাড়ি লাথি ও ঘুষি মারে। তাতেই মৃত্যু হয় বিশালের।
আরও পড়ুন:
ঘটনার পর যখন বুঝতে পারেন বিশাল মারা গিয়েছেন হতভম্ব হয়ে পড়ে প্রভু। বাড়িওয়ালাকে বিষয়টি জানান সে। দু’জন মিলে লাশ গায়েব করে দেয়। তারপর বাড়ি ফিরে যান। বিশাল শহর ছাড়ারও পরিকল্পনা করে। অভিযুক্তের দাবি, ঘুমের মধ্যে সে বারবার বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখছিল। স্বপ্নে বারবার ফিরে আসছিল তার বন্ধু। অবশেষে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে সে।
ঘটনার তদন্ত নেমে যুবকের পাশাপাশি ওই বাড়ির মালিকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন, প্রমাণলোপাট-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুন নিকছ ঝামেলায় নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িওয়ালা কেন সাহায্য করল তাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
