কোটিপতি হওয়া স্বপ্ন, চুরি করা পাখার কয়েল বিক্রির টাকায় লটারি কিনে গ্রেপ্তার ব্যক্তি

রাজ্য/STATE
Spread the love


লটারি জিতে কোটিপতি হওয়া ছিল স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে দেদার চুরি করে সেই টাকায় লটারির টিকিট কাটতেন। এই অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে শ্রীঘরে ব্যক্তি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশের হাতে ধৃত ব্যক্তির নাম বাহারুদ্দিন মণ্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, মোট ১৭ টি পাখা চুরির অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে চান, আরও কোথায় কী চুরি করেছে। সেসব উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানতে পারে, বাহারুদ্দিনের নেশা ছিল লটারির টিকিট কাটা। আসলে তার মাধ্যমে সে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখত। লটারির টিকিট কাটার টাকা হাতে পেতে সে বিভিন্ন জায়গা থেকে বৈদ্যুতিন পাখা চুরি করত। সেগুলির কয়েল বিক্রি করে দিনের পর দিন লটারির টিকিট কাটত বাহারুদ্দিন। মনে মনে স্বপ্ন ছিল, এভাবেই একদিন লটারি জিতে কোটিপতি হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:

সম্প্রতি রবীন্দ্রনগর ও মহেশতলা থানা এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কমপক্ষে ৫০টিরও বেশি বৈদ্যুতিক পাখা চুরি হয়। সেই অভিযোগ পেয়ে চুরির তদন্তে নামে দুই থানার পুলিশ। রবীন্দ্রনগর থানা এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বৈদ্যুতিক পাখা চুরি যাওয়ার তদন্তে নেমে এসআই সোমেন পাল একজনকে গ্রেপ্তার করেন। জানা যায়, তার নাম বাহারুদ্দিন মণ্ডল। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৯ টি বৈদ্যুতিক পাখা, প্রচুর যন্ত্রাংশ ও একটি মোটরবাইক। বাহারুদ্দিনের কাছ থেকে চোরাই পাখা কেনার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই ক্রেতাকেও।

এরপর এদের তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, বাহারুদ্দিনের নেশা ছিল লটারির টিকিট কাটা। আসলে তার মাধ্যমে সে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখত। লটারির টিকিট কাটার টাকা হাতে পেতে সে বিভিন্ন জায়গা থেকে বৈদ্যুতিন পাখা চুরি করত। সেগুলির কয়েল বিক্রি করে দিনের পর দিন লটারির টিকিট কাটত বাহারুদ্দিন। মনে মনে স্বপ্ন ছিল, এভাবেই একদিন লটারি জিতে কোটিপতি হয়ে যাবে। কিন্তু বিধি বাম! সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই চুরির দায়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল বাহারুদ্দিন। আপাতত শ্রীঘরের মেঝেতে শুয়েই তাকে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে। কেউ কেউ মজা করে বলছে, একেই বলে ‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *