কীর্তি আজাদের পর ‘বহিরাগত’ শত্রুঘ্নও মমতার পাশে, বললেন, ‘দিদির সঙ্গ ছাড়ব না’

কীর্তি আজাদের পর ‘বহিরাগত’ শত্রুঘ্নও মমতার পাশে, বললেন, ‘দিদির সঙ্গ ছাড়ব না’

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার একমাসও কাটেনি। তৃণমূলের সংসার ভেঙে একেবারে খান-খান। বিধানসভায় পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও ধরেছে ভাঙন। রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করছেন একের পর এক সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে শত্রুঘ্ন সিনহাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক জল্পনা! মমতার পাশে নাকি বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে, ‘বিহারীবাবুকে’ কোথায় আগামিদিনে দেখা যাবে, তা নিয়ে চলছে চর্চা। যদিও সেই জল্পনা নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, ‘দিদি’ মমতার পাশেই রয়েছেন। আগামিদিনেও এমন কোনও পরিকল্পনা তাঁর যে নেই, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শত্রুঘ্ন।

এই বিষয়ে আরও খবর

মমতার পাশে নাকি বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে, ‘বিহারীবাবুকে’ কোথায় আগামিদিনে দেখা যাবে, তা নিয়ে চলছে চর্চা। যদিও সেই জল্পনা নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ।

গত সোমবার একদিকে যখন দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী জোটের সঙ্গে বৈঠক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক সেই সময় তৃণমূল সাংসদদের একটা বড় অংশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে গিয়ে বৈঠক করেন। শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নেতৃত্বে সেদিনই তৈরি হয় বিদ্রোহী ব্লক। তাঁরা স্পষ্ট জানান, মমতার সঙ্গে নয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ’তে যোগ দেবেন। তবে সংখ্যা নিয়ে চলছে চর্চা। এক্ষেত্রে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁদের হাতে সাংসদ সংখ্যা কুড়ির বেশি। তবে সোমবার নাকি ১৬ জন তৃণমূল সাংসদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আরও দু’জন সেদিনের বৈঠকে ভার্চুয়ালি হাজির ছিলেন। তাঁরাও নাকি সই করেছেন ওই চিঠিতে। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে আরও একটি বৈঠক হয়। যেখানে সায়নী ঘোষ, মালা রায়-সহ আরও দুই সাংসদ যোগ দেন বলে সূত্রের খবর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়।

রাজ্য-রাজনীতিতে জল্পনা ছড়ায়, শত্রুঘ্ন সিনহাকেও আগামিদিনে বিদ্রোহীদের ব্লকে দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে সমাজমাধ্যমে তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তাঁর সুস্থতা কামনা করেন শত্রুঘ্ন। বুধবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মোদির ১২ বছর সম্পূর্ণ হয়েছে। এত দীর্ঘ সময় ধরে টানা প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে এর আগে কেউ থাকেননি। সেই দিনটা সাড়ম্বরে উদযাপন করে বিজেপি। আর এজন্য নিজের সমাজমাধ্যমে মোদিকে শুভেচ্ছা জানান সাংসদ। এরপরই জল্পনা আরও বাড়ে। তাছাড়া, বিজেপির সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের অতীত রয়েছে শত্রুঘ্নর।

যদিও সব জল্পনা খারিজ করে এদিন শত্রুঘ্ন সিনহা জানিয়েছেন, আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হচ্ছে। এমনকী বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে রয়েছি বলেও কেউ কেউ দাবি করছেন। তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তৃণমূল সাংসদের কথায়, “দুঃসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কঠিন সময়ে আমিও তাঁর পাশে দাঁড়াব।” কখনই দিদিকে ছেড়ে যাব না।

বলে রাখা প্রয়োজন, বিদ্রোহের মাঝেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা ‘দিদি’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। সেই তালিকায় শত্রুঘ্ন সিনহার মতোই রয়েছেন কীর্তি আজাদও। দিল্লিতে বসেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। 

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *