কাবাব-পকোড়ার সঙ্গত হিসেবে অসামান্য এই ৫ চাটনি, বানিয়ে নিন সহজেই

কাবাব-পকোড়ার সঙ্গত হিসেবে অসামান্য এই ৫ চাটনি, বানিয়ে নিন সহজেই

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ঠিক বাঙালির চাটনি নয়, বরং পশ্চিমের ‘ডিপ’-এর সঙ্গে এর মিল বেশি। বাংলার বাইরে অবশ্য ভারত জুড়ে চাটনি বলতে এমন সাইড ডিশই মান্যতা পেয়ে থাকে। খোলসা করে বলা যাক। শেষপাতে পাঁপড়ের সঙ্গে যে চাটনি খাওয়া হয় সাধারণত, তা সাধারণত মিষ্টি। মসৃণ নয়। দানাভাব থাকে, ফল কিংবা বাদাম-কিশমিশের টুকরোও থাকতে পারে। কিন্তু পকোড়া অথবা সিঙাড়ার সঙ্গত হিসেবে যে চাটনি (Chutney recipes) ব্যবহার করা হয়, তা একেবারে মসৃণ, ঘন। তবে তার সামান্য ছোঁয়াতেই খাবারের স্বাদ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

এ ধরনের চাটনি বানানো ভীষণ সহজ। উপকরণও অল্পই প্রয়োজন। যা অবশ্যই দরকার পড়বে, তা হল একখানা ব্লেন্ডার। তবে কেউ চাইলে শিলনোড়াও ব্যবহার করতে পারেন। তাতে ঘনত্বে সামান্য হেরফের হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

5 easy chutney recipes to pair with snacks
ধনেপাতার চাটনি। কাঠবাদামের চাটনি। নারকেলের চাটনি। পুদিনার চাটনি।

ধনেপাতার চাটনি
সবচাইতে সহজ বুঝি এটিই। ব্লেন্ডারে মিশিয়ে নিন ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা, লেবুর রস, রসুনের কোয়া, পরিমাণমতো লবণ। ঘনত্ব কতখানি রাখতে চান, সেই বুঝে মেশাতে হবে জল। তবে অর্ধেক কাপের বেশি না মেশানোই ভালো। তাতে স্বাদ নষ্ট নয়। যে কোনও রকমের পকোড়া, স্যান্ডউইচ, পরোটার সঙ্গে উপাদেয় লাগে। সাধারণ গরম ভাতের পাতেও অসামান্য এই চাটনি।

পুদিনার চাটনি
মূলত যে কোনও ধরনের কাবাবের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। ব্লেন্ডারে পুদিনা পাতা, অল্প ধনেপাতা, আদার ফালি, কাঁচালঙ্কা, লেবুর রস ও লবণ মেশাতে হবে। রেস্তরাঁর মতো ঘন চাটনি চাইলে, সঙ্গে মেশাতে হবে ৩-৪ টেবিলচামচ টক দই। টিক্কা কিংবা মোমোর সঙ্গেও দিব্যি লাগে খেতে।

টোম্যাটোর চাটনি
শুকনো তাওয়ায় টোম্যাটোর সঙ্গে রসুন ও শুকনো লঙ্কা নেড়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে ব্লেন্ডারে দিয়ে, সঙ্গে দিতে হবে পরিমাণমতো লবণ ও গুড়। ফ্রায়িং প্যানে সামান্য তেলে সরষে দানা, কারিপাতা ফোড়ন দিতে হবে। তার মধ্যে ধীরে ধীরে ঢেলে দিতে হবে এই মিশ্রণ। আলুর পকোড়া অথবা সিঙাড়ার সঙ্গে খাওয়া যায় এই চাটনি।

5 easy chutney recipes to pair with snacks
টোম্যাটোর চাটনি ভালো লাগে সিঙাড়ার সঙ্গে।

নারকেলের চাটনি
সাধারণত ইডলি, দোসার সঙ্গে এই চাটনি পরিবেশন করা হয়। ব্লেন্ডারে জলের সঙ্গে দিতে হবে কোরানো নারকেল, চানা ডাল (শুকনো খোলায় নেড়ে নেওয়া), কাঁচালঙ্কা, আদার ফালি ও লবণ। অন্যদিকে অল্প তেলে নেড়ে নিতে হবে সরষে দানা, কারিপাতা ফোড়ন। নারকেলের মিশ্রনের সঙ্গে তা মিশিয়ে নিলেই তৈরি চাটনি।

কাঠবাদামের চাটনি
ডালবড়ার সঙ্গে এই চাটনি না থাকলে স্বাদই খোলে না। শুকনো খোলায় কাঠবাদাম, রসুনের কোয়া আর শুকনো লঙ্কা নেড়ে নিতে হবে। নামিয়ে ব্লেন্ডারে মেশাতে হবে লবণ এবং তেঁতুলের নির্যাসের সঙ্গে। সামান্য চিনি মেশানো যায়। কেউ চাইলে তেঁতুলের অংশটি বাদও রাখতে পারেন। ধোঁয়াওঠা গরম ভাতের পাতে সামান্য ঘি আর এই চাটনি হলেই নিমেষে গায়েব হবে এক থালা ভাত!

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *