কাটোয়ায় আড্ডার আসরে কলেজ ছাত্রকে এলোপাথাড়ি কোপ! খুনের পিছনে প্রেমঘটিত কারণ?

কাটোয়ায় আড্ডার আসরে কলেজ ছাত্রকে এলোপাথাড়ি কোপ! খুনের পিছনে প্রেমঘটিত কারণ?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ। রাতে আড্ডার আসরে খুন তরুণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু কলেজ পড়ুয়ার। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়ায়। কী কারণে খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা। পরিবারের অনুমান, গেম খেলা নিয়ে বিবাদের কারণে তাঁদের ছেলে খুন করা হয়েছে। তবে পিছনে প্রণয়ঘটিত কোনও কারণ রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতের দুই বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম শাহিদ মিদ্দা। বয়স ২১ বছর। তিনি কাটোয়ার মূলটি গ্রামের বাসিন্দা। শাহিদ কাটোয়া কলেজের বিএ তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা-আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় দিঘির পাড়ে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন শাহিদ। সাড়ে নটা-দশটা নাগাদ কেউ বা কারা পিছন থেকে এসে শাহিদকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে বলে অভিযোগ। শাহিদের গলা ও মুখের অংশে আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর যায় বাড়িতে। তারপর পুলিশে। পুলিশ শাহিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

আরও পড়ুন:

ঘটনাস্থল। নিজস্ব চিত্র।

মুলটি গ্রামের বাসিন্দা ইনামুল মিদ্দা ও কোহিনুর বেগমের বড় ছেলে শাহিদ। তাঁর এক বোনও রয়েছে। পরিবার জানাচ্ছে, প্রতিদিন ৭-৮টা নাগাদ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিঘির পাড়ের ঘাটে গিয়ে বসতেন শাহিদ। শনিবার রাতেও যান তিনি। মূলত তাঁরা সেখানে গেম খেলতেন বলে জানিয়েছে মৃতের পরিবার। জানা গিয়েছে, খুনের রাতে শাহিদের সঙ্গে ছিলেন লালন মল্লিক ও সাহেব বাগদি নামে দুই বন্ধু। আরেক জনও ছিলেন তিনি পালিয়ে গিয়েছেন। পুলিশ দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

শাহিদের বাবা ইনামুল মিদ্দা বলছেন, “শুনেছি ছেলে গেম খেলত। আমার যেটুকু ধারণা, কয়েকদিন আগে গেম নিয়ে কারোর সঙ্গে একটা ঝামেলা হয়েছিল। সম্ভবত সেই কারণে ছেলে খুন হয়ে থাকতে পারে। কাকা রমজান মিদ্দা বলছেন, “কেন খুন জানি না। আমরা জানতে পারছি, দিন সাতেক আগে ভাইপোকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু কে বা কারা এখনও কিছু জানা যায়নি।” দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আজ, রবিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফরেনসিক দল। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *