নিটের প্রশ্ন ফাঁস বিতর্কে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে জবাব চাইলেন রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতা আরও জানিয়েছেন, এই ইস্যুতে পদত্যাগ করুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। উল্লেখ্য, প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার জেরে নিট ইতিমধ্যেই বাতিল হয়েছে। নতুন করে নিট পরীক্ষা নেওয়া হবে। কিন্তু গোটা ঘটনায় একটি শব্দও খরচ করেননি প্রধানমন্ত্রী। আপাতত তিনি বিদেশ সফরে ব্যস্ত।
গত ৩ মে নিট ইউজির পরীক্ষা নিয়েছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। প্রায় ২৩ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় বসেন। জানা যায়, পরীক্ষার অন্তত একমাস আগে কিছু ছাত্রছাত্রীর হাতে এসেছিল একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র। ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে ৪১০টি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পর দেখা যায় ১২০টি রসায়ন প্রশ্ন আসল প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, মিলে গিয়েছে উত্তরের অপশনও। তারপর দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। বাতিল হয় নিট। সাংবাদিক সম্মেলন করে ধর্মেন্দ্র বলেন, পরীক্ষা মাফিয়াদের রুখতে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সিবিআই তদন্তে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। রসায়নের অধ্যাপক, জীববিদ্যার লেকচারার-সহ অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন।
প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে প্রথম থেকে সুর চড়িয়েছিলেন রাহুল। রাজস্থানে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে সেটাও তিনি প্রকাশ্যে আনেন। এক্স হ্যান্ডেলে গোটা বিষয়টি নিয়ে আবারও ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাহুল লেখেন, ‘২০২৪ সালে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল, পরীক্ষা বাতিল হয়নি। মন্ত্রীও পদত্যাগ করেননি। কমিটি গঠন হল। আবার এবছর প্রশ্ন ফাঁস হল। সিবিআই তদন্ত হচ্ছে, আবার একটা কমিটি গঠন হবে। কিন্তু মিস্টার মোদি, দেশবাসী আপনাকে কিছু প্রশ্ন করছে। কেন বারবার প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে? প্রশ্নপত্র নিয়ে আপনি কেন সবসময় চুপ করে থাকেন? বারবার ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও কেন আপনি শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করছেন না?’
NEET 2024:
पेपर लीक हुआ। परीक्षा रद्द नहीं हुई। मंत्री ने इस्तीफ़ा नहीं दिया। CBI ने जांच बिठाई। एक कमेटी बनी।NEET 2026:
पेपर लीक हुआ। परीक्षा रद्द हुई। मंत्री ने फिर इस्तीफ़ा नहीं दिया। CBI फिर जाँच कर रही है। एक और कमेटी बनेगी।मोदी जी, देश आपसे कुछ सवाल पूछ रहा है – जवाब…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 17, 2026
উল্লেখ্য, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সিবিআই তদন্তে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। রসায়নের অধ্যাপক, জীববিদ্যার লেকচারার-সহ অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। জানা গিয়েছে, মনীষা গুরুনাথ মান্ধারে নামে ওই অধ্যাপকএনটিএ-র পেপার সেটিং কমিটির সদস্যা ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, ওই শিক্ষিকার কাছে উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যার প্রশ্নপত্রের অ্যাক্সেস ছিল। অর্থাৎ, তদন্তে স্পষ্ট যে নিটের প্রশ্ন ফাঁসে সর্ষের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল ভূত। কিন্তু এতকিছুর পরেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে সরানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
