কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বিধাননগর পুরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে কন্ডোম! মহিলাদের ড্রেসিং ড্রয়ার। শয়নকক্ষ। বালিশ, চাদর। বাইরের ঘরে একাধিক সোফা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। যেন বিলাসবহুল হোটেল! দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওয়ার্ড কার্যালয় খুলে হতবাক এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “প্রথমে বুঝতে পারছিলাম না কেন শয়নকক্ষ। পরে বুঝেছি। এ জিনিস দেখাও পাপ।”

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই উধাও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর। দেখা নেই তাঁর। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ ছিল, ওয়ার্ডে ঠিক মতো কাজ হচ্ছে না। জনতার সেই অভিযোগ শুনেই ওয়ার্ড অফিসের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ভিতরে ঢুকতেই চক্ষুচড়ক গাছ! সাজানো রয়েছে একাধিক দামি সোফা। পুরো অফিসে রয়েছে পাঁচটিরও বেশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। কাউন্সিলর রুমে ঢুকতেই দেখা যায়, ভেতরে রয়েছে খাট। আলমারিতে ফাইল নয়, রয়েছে একাধিক শীতের কম্বল, নরম বালিশ, চাদর। ঘরের ড্রেসিং টেবিল থেকে উদ্ধার হয় কন্ডোমের প্যাকেট। ওয়ার্ড অফিসে এই সব দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

ওয়ার্ড কার্যালয়ে উদ্ধার কন্ডোমের প্যাকেট। নিজস্ব চিত্র।

এই সমস্ত বিষয় সামনে আসতেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। জনগণের টাকায় ওয়ার্ড অফিস বিলাসবহুল কেন? অফিসে কোনও অনৈতিক কাজ হত কিনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শয়নকক্ষ, বড় ছোট মিলিয়ে একাধিক ঘর। বালিশ, কলম্ব। মহিলাদের ড্রেসিং টেবিল। প্রথমে বুঝতে পারছিলাম না এই সব কেন। পরে বুঝলাম।” ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *