সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পদ ছাড়তে হয়েছে, ক্ষমতা খর্ব হয়েছে, তাতে কী? বন্ধুত্বে ছেদ পড়ছে না এতটুুকুও! শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘বন্ধু’ ডোনাল্ডকে পাশে বসিয়ে বিদায়ী ভাষণের এমনই বললেন মার্কিন টেক জায়ান্ট এলন মাস্ক। তাঁর কথায়, ”বন্ধুত্ব থাকবে আজীবন। আর তোমার ( ডোনাল্ড ট্রাম্প) পরামর্শদাতাও। এখানে মাঝেমধ্যেই আসব। বন্ধুকে দরকারি উপদেশও দেব।” আমেরিকার ওভাল অফিসে স্থানীয় সময় দুপুরে ওই সাংবাদিক বৈঠকে মাস্কের কথা শুনে পাশে বসে তখন মিটিমিটি হাসছেন ট্রাম্প। সত্যি! একেই বোধহয় বন্ধুত্ব।
আসলে DOGE বা মার্কিন প্রশাসন থেকে টেসলা কর্তা এলন মাস্কের বিদায়ঘণ্টা বেজেছিল আগেই। গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্প তাঁর নতুন প্রশাসনে যুক্ত করেন এলন মাস্ককে। কিন্তু ৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট বৈঠকে ট্রাম্প পরিষ্কার করে দিয়েছেন, DOGE-এর প্রধান হওয়া সত্ত্বেও এলন মাস্ক কোনওভাবেই নিয়োগ বা ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। তখন থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের দূরত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল।অবশেষে চলতি সপ্তাহেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। বৃহস্পতিবার একেবারেই সরে যান।
এরপরই অবশ্য ট্রাম্প তাঁর উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় মেতে ওঠেন। ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি আগামিকাল দুপুর দেড়টা (স্থানীয় সময়) ওভাল অফিসে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করব এলন মাস্ককে নিয়ে। এটাই হবে ওঁর এখানে শেষ দিন। কিন্তু আসলে তা নয়, কেননা উনি এখানে থাকবেন চিরকাল। এলন দুর্দান্ত। আপনার সঙ্গে দেখা হবে।’ সেইমতো শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর নাগাদ যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে দেখা গেল, ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের সঙ্গেও দারুণ সৌজন্য বজায় রাখলেন এলন মাস্ক। বললেন, ”এটা সংক্ষিপ্ত একটা কাজের পর্ব ছিল। শেষ হয়েছে। এখন আমি আমার ব্যবসায় আরও বেশি মন দিতে চাই।”
