ওয়ার্ক ফ্রম হোম কাড়ছে তরুণদের মানসিক শান্তি! সুস্থ থাকার উপায় বাতলালেন বিশেষজ্ঞরা

ওয়ার্ক ফ্রম হোম কাড়ছে তরুণদের মানসিক শান্তি! সুস্থ থাকার উপায় বাতলালেন বিশেষজ্ঞরা

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ঘরই এখন অফিস। আরামের শেষ নেই। ট্রাফিকের জটলা, লোকাল ট্রেনের গুঁতোগুঁতি কিংবা মেট্রোর চেনা হুড়োহুড়ি কিছুই আর নেই। বাসের কন্ডাক্টরের সঙ্গে খুচরো নিয়ে রোজের ঝামেলাও ভ্যানিশ। বেঁচে যাচ্ছে যাতায়াতের সময়, পকেটের রেস্ত। নিজের চেনা চৌহদ্দিতে আয়েশ করে ল্যাপটপ খুলে বসা। বাইরে থেকে দেখলে জীবনটা খাসা। কিন্তু এই স্বস্তির আড়ালেই লুকিয়ে এক চরম অস্বস্তি। চিকিৎসকদের পরিভাষায় যার নাম ‘মানসিক অবসাদ’।

How remote work impacts youth mental health tips
ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন:

সম্প্রতি ‘সায়েন্স’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণা চমকে দিয়েছে অনেককেই। আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বাড়ি থেকে কাজ করার এই নয়া সংস্কৃতির আমদানি যুব প্রজন্মের মনকে ক্রমশ বিষিয়ে তুলছে। প্রায় পৌনে ছয় লক্ষ কর্মীর ওপর করা এই সমীক্ষা বলছে, রিমোট ওয়ার্ক বা ঘরে বসে কাজ করার ফলে মানুষের একাকীত্ব একধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। বাড়ছে খিটখিটে মেজাজ, তীব্র উদ্বেগ এবং অবসাদ। ঘর আর অফিসের সীমানা মুছে গেলে, মন আর জিড়োবে কোথায়? মহামারি উত্তর পৃথিবীতে প্রতি চারজনে একজন এই জালে বন্দি।

ছবি: সংগৃহীত

মন ভালো রাখার দাওয়াই কী?
প্রথমত, সময় বাঁধুন। অফিস ঘরের ভেতরে এলেও, ঘড়ির কাঁটা মেনে লগ-আউট করুন। মেল বা ল্যাপটপের ভার্চুয়াল জগতকে ছুটির পর আর কাছ ঘেঁষতে দেবেন না। দ্বিতীয়ত, একটানা কাজ নয়। কাজের মাঝে বিরতি নিন। অন্তত ৫০ মিনিট অন্তর মিনিট দশেকের জন্য চোখ সরান পর্দা থেকে। একটু হাত-পা ছড়িয়ে স্ট্রেচিং করুন। তৃতীয়ত, শরীর ও মনের যুগলবন্দি। রোজ অন্তত আধ ঘণ্টা যোগাভ্যাস বা হালকা ব্যায়াম করুন। এতে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে, যা মনকে ফুরফুরে রাখে। চতুর্থত, নিজের জন্য বাঁচুন। সপ্তাহের একটা দিন শুধু নিজের পছন্দের কাজ করুন। বই পড়া, গান শোনা বা স্রেফ অলস ঘুমে নিজেকে নতুন করে চিনে নিন। চার দেওয়ালের খাঁচা ভেঙে মনকে ডানা মেলতে দিন নিজের আকাশেই।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *