এসআইআর: সংসদে রাহুলের সঙ্গে তুমুল বাকযুদ্ধ, ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ নিয়েও বিঁধলেন ‘ক্রুদ্ধ’ শাহ

এসআইআর: সংসদে রাহুলের সঙ্গে তুমুল বাকযুদ্ধ, ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ নিয়েও বিঁধলেন ‘ক্রুদ্ধ’ শাহ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদে এসআইআর নিয়ে আলোচনায় তুমুল বাকযুদ্ধে জড়ালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। শাহের ভাষণের মাঝেই উঠে দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেছিলেন রাহুল। তাঁর তোলা ভোটচুরির অভিযোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন। তাতে দৃশ্যত ক্রুদ্ধ হয়ে শাহ রাহুলের উদ্দেশে বলেন, “আপনার কথা মতো আমি বক্তৃতা করব না। ধৈর্য রাখুন। আমার যখন যেটা বলার, তখনই সেটা বলব।” শাহের ‘ক্রোধ’ নিয়ে পর ক্ষণে কটাক্ষ করেন রাহুলও। বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘাবড়ে গিয়ে, ভয় পেয়ে এ রকম প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন!”

ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সম্প্রতি তিনটি সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন রাহুল। বৃহস্পতিবার লোকসভার অধিবেশনে তা নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলেন তিনি। এর প্রেক্ষিতে শাহ বলেন, “কেউ কেউ ভোট চুরির অভিযোগ করছেন। অথচ এখানে এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁরা পারিবারিক ভাবে ভোট চুরি করে এসেছেন।” শাহের সংযোজন, “তিরিশ বছর ধরে আমি বিধানসভা এবং সংসদে বক্ৃতা করছি। সংসদে কীভাবে বক্ৃতা করতে হয়, আমার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। বিরোধী দলনেতা বলছেন আগে, আমার প্রশ্নের জবাব দিন। আপনার কথা মতো সংসদ চলবে না। আমার বক্তব্য কীভাবে এগোবে, সেটা আমি ঠিক করব। এভাবে সংসদ চলবে না। ওঁর উচিত আমার বক্তব্য শোনার ধৈর্য রাখা। আমি একে একে সব প্রশ্নের জবাব দেব। বক্তব্য যখন আমি রাখছি, তখন আমি ঠিক করব কখন কোন প্রশ্নের জবাব দেব।” ভোট চুরির অভিযোগ করতে গিয়ে নিজের সাংবাদিক বৈঠকে হাইড্রোজেন বোমা ফাটানোর কথা বলেছিলেন রাহুল। এ দিন তা নিয়েও বিরোধী দলনেতাকে খোঁচা দেন শাহ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কংগ্রেসের হারের জন্য এসআইআর প্রক্রিয়া দায়ী নয়৷

এসআইআর নিয়েও শাহ বলেন, এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ভাবে করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সংগঠিত করার জন্যেই নির্বাচন কমিশন এই কাজ পরিচালনা করছে। এই কর্মকাণ্ডে কমিশনকে বিরোধীরা সাহায্য না করায় গণতন্ত্র ‘কলুষিত’ হচ্ছে বলেও দাবি শাহের। তাঁর বক্তব্য, “মনমোহন সিংয়ের (প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী) আমলেও এটি ঘটেছিল। এটি নির্বাচনকে বিশুদ্ধ করার একটি প্রক্রিয়া।” মূলত, ভুয়ো ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে এই প্রক্রিয়া অনিবার্য বলেই দাবি করেন শাহ। তাঁর কথায়, “একজন ভোটারের কি একাধিক জায়গায় ভোট দিতে পারা উচিত?” নির্বাচন কমিশন একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ বডি, যারা ভোটার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতেই এই কাজটি করছে বলে দাবি শাহের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *