বাদল অধিবেশনের আগেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সিদ্ধান্তে ক্ষমতা বাড়ল এনডিএ-র। উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনার থেকে একনাথ শিন্ডের শিব সেনায় যাওয়া ৬ সাংসদের যোগদানকে স্বীকৃতি দিলেন স্পিকার। যার জেরে দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে এই ৬ সাংসদের শিবির বদল আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধতা পেল। লোকসভায় আলাদা আসন বরাদ্দ করা হয়েছে এই ৬ জনের। শুধু তাই নয়, তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের পৃথক আসনও অনুমোদন করা হয়েছে।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গত মাসে উদ্ধব শিবির ছেড়ে একনাথ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন ৬ জন সাংসদ। এই ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয় শিব সেনা (ইউবিটি)। দাবি ছিল, দলভাঙনকে স্বীকৃতি দিতে হলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোর দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন থাকতে হবে। এক্ষেত্রে তা হয়নি। যদিও শিন্ডে শিবিরের তরফে জানানো হয় এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র লোকসভার স্পিকারের। শিন্ডে আরও জানান, দলবদলে আইনত ও সংসদীয় যাবতীয় প্রক্রিয়া যথাযথভাবে পালিত হয়েছে। সেইমতো এবার স্পিকারের তরফে এই দলবদলকে স্বীকৃতি দেওয়া হল। লোকসভা সচিবালয় কর্তৃক প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, স্পিকারের সিদ্ধান্তের ফলে লোকসভায় শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনার আসন সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে এখন হল ১৩। অন্য দিকে, উদ্ধব ঠাকরে নেতৃত্বাধীন শিব সেনার (ইউবিটি) সাংসদ সংখ্যা কমে দাঁড়াল মাত্র তিন জনে।
আরও পড়ুন:
লোকসভা সচিবালয় কর্তৃক প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, স্পিকারের সিদ্ধান্তের ফলে লোকসভায় শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনার আসন সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে এখন হল ১৩।
শিব সেনা শিবিরের এই ভাঙনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনায় চাপ বাড়ছে তৃণমূলের। লোকসভায় তৃণমূলের আসনসংখ্যা এখনও ২৮ দেখানো হলেও এঁদের মধ্যে ২০ জন সাংসদ যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই-তে। স্পিকার এই দলবদলকে এখনও অনুমোদন না করলেও এই সাংসদদের পৃথক আসনের আর্জি অনুমোদন করেছে। শুধু তাই নয়, ২০ সাংসদের এই নয়া গোষ্ঠীর দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আলাদাভাবে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখাও করেন সুদীপ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
