‘সংবিধান সংশোধনীতে রাজ্যপালদের সময়সীমা বাঁধা হোক’, সুপ্রিম রায়ের পরও লড়াইয়ের বার্তা স্ট্যালিনের

‘সংবিধান সংশোধনীতে রাজ্যপালদের সময়সীমা বাঁধা হোক’, সুপ্রিম রায়ের পরও লড়াইয়ের বার্তা স্ট্যালিনের

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শীর্ষ আদালতে সুরাহা মেলেনি। এবার সরাসরি সংবিধান সংশোধন করার দাবি তুললেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সংবিধান সম্মত নয় বলে সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার মত দিয়েছিল। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ট্যালিন দাবি করেন, সংবিধানে সংশোধন করে রাজ্যপালদের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হোক।

স্ট্যালিন শুক্রবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের অধিকার ও প্রকৃত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য লড়াই থামবে না। সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্সে ‘পরামর্শমূলক’ মতামতের পরদিনই তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পিছনে ঠেলে দেওয়া চলতে পারে না। তাঁর কথায়, “রাজ্যপালদের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ না করা পর্যন্ত আমি বিশ্রাম নেব না। সংবিধান সংশোধনই একমাত্র পথ।”

স্ট্যালিন জানান, আদালতের এই পরামর্শমূলক মতামত ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিলের তামিলনাডু সরকার বনাম তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল মামলার রায়ে কোনও প্রভাব ফেলবে না। ‘এক্স’ পোস্ট করে তিনি লেখেন, সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ স্পষ্ট করেছে, রাজ্যে নির্বাহী ক্ষমতার দ্বৈত কেন্দ্র হতে পারে না, নির্বাচিত সরকারই থাকবে ‘চালকের আসনে’। পাশাপাশি, সাংবিধানিক পদাধিকারীদের সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই কাজ করতে হবে, তার ঊর্ধ্বে নয়, এই অবস্থানেও তিনি সমর্থন জানান। তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, “রাজ্যপালের কাছে বিলকে খারিজ করার বা পকেট ভেটো প্রয়োগ করার কোনও ‘চতুর্থ বিকল্প’ নেই। তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের মতো বিল আটকে রাখাও সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।”

আদালতের মন্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি আরও জানান, রাজ্যপাল অনন্তকাল ধরে বিলের উপর সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করতে পারেন না, প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সংবিধানিক আদালতে গিয়ে গভর্নরের ‘ইচ্ছাকৃত নিষ্ক্রিয়তা’র বিরুদ্ধে জবাবদিহি দাবি করতে পারে। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ রাজ্যপালের ‘পকেট ভেটো’র তত্ত্ব এবং বিলকে ‘বাতিল করা বা চাপা দেওয়ার’ ক্ষমতার দাবিকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্টালিন বলেন, কোনও সাংবিধানিক কর্তাই সংবিধানের ঊর্ধ্বে হতে পারেন না। তাঁর সতর্কবাণী, যদি উচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারীরাও সংবিধান ভঙ্গ করেন এবং আদালতের দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা গণতন্ত্রে আইনের শাসনকে দুর্বল করবে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংবিধান লঙ্ঘনের প্রকাতা বাড়াবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *