ইলিশ থেকে চিংড়ি, জামাইষষ্ঠীর আগে অগ্নিমূল্য বাজার, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের

ইলিশ থেকে চিংড়ি, জামাইষষ্ঠীর আগে অগ্নিমূল্য বাজার, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


রাত পোহালেই শনিবার জামাই ষষ্ঠী। কিন্তু জামাইয়ের পাতে কী দেবেন তা নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই শ্বশুর-শাশুড়িদের। যেমন ফলের দাম আকাশছোঁয়া। তেমনই ইলিশেরও দামও। চিংড়ি, পমফ্রেট, ভেটকি থেকে খাসির মাংস, কম যাচ্ছে না কিছুই। সব মিলিয়ে জামাইষষ্ঠীর আগে চিন্তার একটু ভাঁজ পড়েছে অনেক শ্বশুরের কপালে। বাজারে এসেছে টাটকা ইলিশ। তবে দাম ১২০০-১৫০০ টাকা কেজি। ফলে জামাইয়ের পাতে ইলিশের পিস দিতে আজ বেশ ভালোই পকেট থেকে খসবে আম গেরস্তের। বেশিরভাগই আজই সেরে রাখবেন ষষ্ঠীর বাজার। মাছের জোগান বাজারে ইতিমধ্যেই চলে এসেছে। তবে এখন যে ইলিশ বেশিরভাগই কোল্ড স্টোরেজের। টাটকা মাছ কিছু এলেও তা আকারে ছোট। সুন্দরবন, মুড়িগঙ্গা, হাতানিয়া-দোয়ানিয়া ও সপ্তমুখীর মতো কিছু জায়গার ছোট নদীগুলিতে এবার ইলিশ মাছ ধরা পড়েছে।

কাকদ্বীপের পালবাজারের এক মৎস্য ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, “জামাইষষ্ঠী বাজার ইলিশ ছাড়া অসম্পূর্ণ তাই চাহিদা ভালোই দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি ইলিশের ওজন ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম যা বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।” তবে আজ সকাল থেকেই যে খাসির মাংসের দোকানে লাইন পড়বে তা বিলক্ষণ জানেন দোকানদাররাও। গিরিশ পার্কের এক মাংসের দোকানের মালিক যেমন বলেন, আগে থেকেই স্টক আছে। প্রতিবারই জামাই ষষ্ঠীর আগের দিন এবং ওইদিন বিপুল চাহিদা থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

জামাই আদরের সুযোগ মেলে এই একটা দিনই। তাই আয়োজনে কোনও খামতি রাখতে চান না শ্বশুর-শাশুড়িরা। সে দাম যতই হোক না কেন! কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, বদলাচ্ছে জামাইষষ্ঠীর চল। বাড়িতে এলাহি আয়োজনের বদলে অনেকেই রেস্তরাঁয় নিয়ে গিয়ে জামাইষষ্ঠী থালি দিয়েই আপ্যায়ন করছেন জামাইকে। সেই মতো মেনু সাজিয়েছে বিভিন্ন রেস্তরাও। জামাইষষ্ঠী স্পেশাল মেনু। জামাইষষ্ঠীর জড়িয়ে অনেকটা আবেগ, প্রাচীন রীতিনীতি। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লাষষ্ঠী তিথিতে ষষ্ঠীদেবীর পুজো করে জামাইষষ্ঠী ব্রত পালন করেন শাশুড়িরা। বিবাহিত মেয়ে এবং জামাইকে আপ্যায়ন করা এই ব্রতের রীতি। বাংলার তেরো পার্বণের সঙ্গেই খাওয়াদাওয়ার নিবিড় যোগ। তবে জামাইষষ্ঠীকে নিছক খাওয়াদাওয়ার পার্বণ বললেও ভুল বলা হয় না।

নিয়মনীতি যেমনই হোক না কেন, এই অনুষ্ঠানের চর্চায় থাকে জামাইয়ের ভূরিভোজ। ফলার দিয়ে শুরু হয়। তারপর জামাইয়ের জন্য পছন্দমতো পদ রেঁধে খাওয়ান শাশুড়ি মায়েরা। পোলাও, মাংস, পায়েস- কী না থাকে সে দিন মেনুতে। সঙ্গে মিষ্টি দই, রকমারি মিষ্টান্ন উপরি পাওনা। ভোজনরসিক জামাইরা সারা বছর ধরে এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। সবাই যখন তৈরি, মিষ্টির দোকানই বা বাকি থাকে কেন! তাই নিত্যনতুন জামাইষষ্ঠীর থিমের মিষ্টি বেশিরভাগ দোকানে। আজ থেকেই তার জন্য লাইন পড়বে।

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *